২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২২
একদিকে শুকাচ্ছে নদী, অন্যদিকে পুড়ছে বনাঞ্চল। ভয়ঙ্কর খরার কবলে ইউরোপ। সম্প্রতি আবহাওয়া নিয়ে প্রকাশিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক রিপোর্ট বলছে, গত পাঁচশো বছরে এমন ভয়াবহ খরা দেখেনি গোটা মহাদেশ। তবে আগামী কয়েক বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আগে থেকেই সতর্ক করে রাখছেন পরিবেশবিজ্ঞানীরা।
৪৭ শতাংশ এলাকা সতর্কতার আওতায় রয়েছে বলে দাবি করেছে ওই রিপোর্টে। মাটিতে কমছে আদ্রতা, বাড়ছে দাবানলের প্রকোপ। ১৭ শতাংশ এলাকার অবস্থা আরও ভয়াবহ। যেখানে খরার ফলে চাষাবাদের উপরে প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়তে চলেছে। কম বৃষ্টিপাতের জন্য ব্যাহত হচ্ছে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। তীব্র দাবদাহের ফলে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। বহু এলাকায় খরা আর দাবানলের ফলে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার ইউরোপবাসী। খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মূলত ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইটালি, লুক্সেমবুর্গ, মলডোভা, নেদারল্যান্ডস, সার্বিয়া, পর্তুগাল, ব্রিটেন, স্পেন, রোমানিয়া, ইউক্রেনের মতো দেশে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জয়েন্ট রিসার্চ সেন্টার ওই রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে।
ইউরোপীয় ইনোভেশন কমিশনার মারিয়া গ্যাব্রিয়েল একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রবল খরা পরিস্থিতি ও তাপপ্রবাহের সম্মিলিত কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলির নদীতে জলস্তর ভয়ানক ভাবে নেমে গিয়েছে। এখন আমরা ঘনঘন দাবানল দেখতে পাচ্ছি। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে ফসল উৎপাদনে’।
ইইউ-এর ওই রিপোর্টেও বলা হয়েছে, অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়ায় চাষেরও প্রভূত ক্ষতি হয়েছে এ বছরে। সয়াবিন, সূর্যমুখী ও ভুট্টার উৎপাদন তাই ইতিমধ্যেই যথাক্রমে ১৫, ১২ ও ১৬ শতাংশ করে কম হয়েছে।
তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নকেই এর জন্য দায়ী করছেন বিজ্ঞানীরা।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D