ইউরোপে তুলে নেওয়া হচ্ছে বিধিনিষেধ, বিপরীত চিত্র এশিয়ায়

প্রকাশিত: ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৯, ২০২২

ইউরোপে তুলে নেওয়া হচ্ছে বিধিনিষেধ, বিপরীত চিত্র এশিয়ায়

করোনায় টালমাটাল বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ওমিক্রনের দাপটের মধ্যেই ইউরোপে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া শুরু হলেও বিপরীত চিত্র এশিয়ায়। অঞ্চলটির বেশির ভাগ দেশে পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় টিকাদানের হার বাড়ালেও নতুন করে আরোপ করা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। এদিকে ‘নিওকোভ’ নামে করোনাভাইরাসের আরও একটি নতুন ধরনের কথা জানিয়েছেন চীনা গবেষকরা।


মহামারি শুরুর পর এখন সবচেয়ে টালমাটাল অবস্থায় পড়েছে হংকং। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে স্কুল, বার ও শরীর চর্চাকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টার পর রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়ার ওপরও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। সংক্রমণ বাড়লেও বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তিদের বাধ্যতামূলক হোটেল কোয়ারেন্টাইনের সময় ২১ থেকে কমিয়ে ১৪ দিন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।


২৪ ঘণ্টায় এশিয়ার অপর দেশ জাপানে করোনা শনাক্ত হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার। আক্রান্ত বাড়তে থাকায় আগে থেকেই জাপানের সীমান্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। দেশটির ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলের মধ্যে ৩৪টিতে বার ও রেস্তোরাঁ খোলা রাখার সময় বেঁধে দিয়েছে প্রশাসন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তিদের ১০ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে। দেশটিতে একসঙ্গে ছয়জনের বেশি সমবেত হওয়া যাচ্ছে না। নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বার, রেস্তোরাঁ ও শরীর চর্চাকেন্দ্রের ওপর। স্থানীয় সময় শুক্রবার ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার নতুন রোগী শনাক্ত হয় দেশটিতে।

ইউরোপে সবশেষ দেশ হিসেবে ডেনমার্ক গত বুধবার প্রায় সব ধরনের করোনা বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে। সংক্রমণ বাড়লেও গুরুতর অসুস্থতা না বাড়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে ডেনমার্ক কর্তৃপক্ষ। এর আগে চলতি মাসেই যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডও একই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার অধিকাংশ দেশ পূর্ণ ডোজ টিকাগ্রহণকারীদের জন্য কোয়ারেন্টাইনমুক্ত ভ্রমণ চালু করলেও এশিয়ার বেশির ভাগ দেশ এখনো দিচ্ছে না এই সুযোগ। ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সবশেষ তথ্য মতে, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২১ সালে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিমান ভ্রমণ ৯৩ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে, যা বিশ্বের অন্য যে কোনো অঞ্চলের চেয়ে বেশি।

এদিকে ওমিক্রন সংক্রমণ সামলাতে হিমশিম পরিস্থিতির মধ্যেই ‘নিওকোভ’ নামে করোনাভাইরাসের নতুন একধরনের কথা জানিয়েছেন চীনা গবেষকরা। তাদের দাবি, দক্ষিণ আফ্রিকার বাদুড়ের মধ্যে এটি এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনার এ ধরন আরও পরিবর্তিত হয়ে ভবিষ্যতে মানুষের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চীনা গবেষকরা।


সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট