|
প্রকাশিত: ৪:১৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০২১
সোমবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও সিলেট জেলা পরিষদের সহায়তায় সিলেটে আয়োজন করা হয় আঞ্চলিক বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের। সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে মধ্যরাত পর্যন্ত চলা এ অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন।
এই আয়োজনের কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যাতে দেখ যায় যাদের জন্য সমাবেশের আয়োজন সেই মুক্তিযোদ্ধাদের আসন রাখা হয়েছে মাঠের পেছন দিকে আর সামনের দিকে রাজনীতিবিদসহ অন্যান্য বিশিষ্টজনদের জন্য সংরক্ষিত আসন।
রাজনীতিবিদদের জন্য সংরক্ষিত চেয়ারগুলো পর্দা দিয়ে মোড়ানো থাকলেও মুক্তিযোদ্ধাদের আসন ছিলো নিরাবরণ।
এসব ছবি সোমবার থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের পেছনের সারির পর্দাবিহীন চেয়ারে বসানোর অভিযোগ এনে সমালোচনা করা হচ্ছে। অনেকেই একে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান হিসেবেও অভিহিত করেছেন।
তবে এমন সমালোচনা সঠিক নয় দাবি করে সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেছেন, সামনের আসনগুলোতেও মুক্তিযোদ্ধারা বসা ছিলেন। কিন্তু একপাশের ছবি তুলে সমালোচনা করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ীই আসন বিন্যাস তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ভবতোষ বর্মর রানা বলেন, এটা খুবই অনুচিত হয়েছে। আমি অনুষ্ঠানের সামনের সারিতে ছিলাম। মাঠে অনেক রোদ ছিলো। ফলে পেছনের আসন বিন্যাসগুলো দেখিনি। পরে ফেসবুকে ছবি দেখে বিস্মিত হয়েছি। অনেক মুক্তিযোদ্ধাই ফোন দিয়ে এ ব্যাপারে আমার কাছে উষ্মা প্রকাশ করেছেন।
তবে আসন বিন্যাসের অংশটুকু বাদ দিলে এই আয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক সম্মান দেখানো হয়েছে উল্লেখ করে ভবতোষ বলেন, আলোচনা পর্বে সভাপতি ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক। তবে তিনি স্বাগত বক্তব্য দিয়েই নিজের আসন ছেড়ে এসে আমাকে এই আসনে বসিয়ে দেন। আমি মনে করি এটা সব মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিই সম্মান প্রদর্শন।
সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল বলেন, সব জায়গায় যেমন রাজাকারের সন্তান ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা আছে, তেমন সিলেটের জেলা প্রশাসক কার্যালয়েও এমন লোক রয়েছে। তারাই এমন কাজ করেছে। তবে অনুষ্ঠান স্থলেই জেলা প্রশাসক এ জন্য আমাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
সমালোচনার বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেন, মাঠে ২ হাজার চেয়ার ছিলো। সবগুলো চেয়ারে পর্দা লাগানো সম্ভব হয়নি। সামনের আসনগুলোতেও মুক্তিযোদ্ধারা ছিলেন। পেছনেও ছিলেন। এখন মাঠের আংশিক অংশের ছবি তুলে সমালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের শ্রেষ্ট সন্তান। তাদের অসম্মান করার প্রশ্নই ওঠে না। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে আমি নিজের আসনও ছেড়ে দিয়েছি।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D