বিচারকদের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি আশা নিরর্থক : ডাঃ জাফরুল্লাহ

প্রকাশিত: ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৯

বিচারকদের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি আশা নিরর্থক : ডাঃ জাফরুল্লাহ

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, যে দিন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে সেদিন এই বিচারকদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্টটা ঠিক মত পড়েছেন কিনা।

বিচারকদের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করা নিরর্থক বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট যেটা দেয়া হয়েছে সেখানে কোনো সাইকোলজিস্ট, একজন ফিজিওথেরাপি ছিলনা। সুতরাং এটা যে হুকুম নামার রিপোর্ট এটা বোঝার মত ৭ বিচারপতির আছে।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্যোগে ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ভোট ডাকাতির প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা আ স ম আবদুর রব, ড.আবদুল মঈন খান, মাহমুদুর রহমান মান্না, অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী , অধ্যাপক আবু সাইয়িদ চৌধুরী, বিএনপির আব্দুস সালাম, হাবীবুর রহমান হাবীব, তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের শহিদ উল্লাহ কায়সার, গনফোরামের এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোস্তাক আহমেদ, শাহ আহমেদ বাদল, গণ দলের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা চৌধুরী, বিএনপির কাজী বাসার,জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সবচেয়ে দুর্ভাগ্য হলো জাতি যখন বিপদে পড়ে তখন বিচারকরা ঘুমিয়ে পড়ে। গত বছর নির্বাচনের উপরে এতগুলো মামলা হয়েছে একটা দিনও হেয়ারিং হয় নাই। এই বিচারকরা জনসাধারণের কাছে কি জবাব দেবেন? তাই এই বিচারকদের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তির আলোচনা করা নিরর্থক। খালেদা জিয়ার মুক্তি হতে পারে একমাত্র জনগণের মাধ্যমে।

তিনি বলেন, গত বছর ২৯ ডিসেম্বর রাতে ভোট ডাকাতির পর থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশকে এক এক করে পত্যেক সম্পত্তিতে রুপান্তরিত করা। সোরওয়ারদী উদ্যানে সরকারি দল এবং তার দোসর দল সমাবেশ, সম্মেলন করতে পারবে কিন্তু ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপি ও অন্যান্য দল করতে পারবে না। এটা কি তাদের বাবার সম্পত্তি পেয়েছে?

তি‌নি আরও ব‌লেন, যখন জাতি ঘুমিয়ে পড়ে তখন দু‌র্যোগ দেশের দিকে এগিয়ে আছে। তাই আজকে সকলের সহযোগিতার মাধ্যমে রাজপথে নেমে এই দুর্যোগ থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে। তাহলে অন্যায়ের পতন হবে এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে।