২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৬, ২০১৯
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংসদ সদস্য হিসাবে বিএনপি থেকে নির্বাচিত জাহিদুর রহমান শপথ নেয়ার পর এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির একজন নেতা জানিয়েছেন, শপথ নিয়ে তিনি দলকে অপমান করেছেন।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, বিশ দল, বিএনপি আমরা এই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছি এবং বলেছি যে আরেকটি সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজন করার জন্য। স্বাভাবিকভাবেই শপথ নেয়ার কোন প্রশ্নই ওঠেনা। শপথ নেয়ার অর্থই দাঁড়ায় পার্টির সিদ্ধান্তকে, দেশের মানুষের সেন্টিমেন্টকে, ঐক্যফ্রন্টকে, বিএনপিকে অপমান করেছে। এটি কোন অবস্থাতেই সঠিক কাজ হয় নাই।’
তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিলো দল তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেবে কিনা।
তিনি বলেছেন, ‘অবশ্যই দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে তো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আসবে। অতি শীঘ্রই আসবে।’
বাংলাদেশের পুরনো একটি আইন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংবিধানে একটি বিষয় বলা আছে, যদি সংসদে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেয় তাহলে তার সদস্যপদ থাকে না। তো দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যদি তারা পদক্ষেপ নেন, তাহলে তো তাদের সংসদ সদস্য পদ থাকে না।’
ওদিকে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের দিন থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শপথ নেওয়ার যে বিধান রয়েছে, সেই সময় শেষ হচ্ছে ৩০শে এপ্রিল।
এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ আজ সকালে ঠাকুরগাঁও ৩ আসন থেকে বিজয়ী জাহিদুর রহমানের শপথ নেয়ার খবর এলো।
জাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলছিলেন, ‘এই যে হাজার হাজার নিরপরাধ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, সেসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আমি সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহবান জানাবো যে আপনি দেখেন। গণতন্ত্রের স্বার্থে সেইসব মামলা প্রত্যাহারের আমি দাবি রাখবো।’
তিনি বলছেন এসব মিথ্যা মামলার জন্য পুলিশ দায়ী।
তিনি আরও বলছেন, ‘আমি আমার নেত্রীকে, একজন বয়স্ক মহিলা যার ৭৩ বছর বয়স, ওনাকে যেন গণতন্ত্রের স্বার্থে মুক্ত করে দেয়া হয়। এই আহবান আমি জানাবো।’
এবারের নির্বাচনে বিএনপি থেকে ছয়জন বিজয়ীর মধ্যে এই প্রথম কেউ শপথ গ্রহণ করলেন।
৩০ শে ডিসেম্বরে বিএনপি থেকে নির্বাচিতদের শপথ নেওয়া না নেওয়ার প্রশ্নে দলটির মধ্যে নানারকম আলোচনা ছিল।
নির্বাচিতদের সাথে দলের নেতা-কর্মীদের দ্বিমতের কথাও শোনা গেছে।
এখন বিএনপির জন্য পরিস্থিতি কোথায় দাঁড়াচ্ছে?
জিজ্ঞেস করেছিলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনীতি বিশ্লেষক অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানাকে।
তিনি বলছেন, ‘আমাদের দেশে তো এখন কোন রাজনীতিই নেই। কোনও রাজনৈতিক সংগঠন করার বা সত্যি সত্যি মিনিংফুল কিছু করার পরিস্থিতি বাংলাদেশে নেই। এখানে আইন কানুন কোন প্রতিষ্ঠানে চলছে না। অনেক আইন কানুন হয়ত হয়ে যাবে এই সংসদে কিন্তু এখানে কে সংসদে গেলো না গেলো সেটি মানুষের কাছে কোন তাৎপর্য নেই।’
এখন বাকি থাকছেন বিএনপির আরও পাঁচজন নির্বাচিত সদস্য।
তারা কোন পথে যাচ্ছেন সে নিয়ে জল্পনা কল্পনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D