মোবাইল ফোনে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী : একজন গ্রেফতার

প্রকাশিত: ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৮

মোবাইল ফোনে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী : একজন গ্রেফতার

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সিলেট নগরীর সওদাগরটুলার রফি ভবনের ৪৪নং বাসা নিবাসী মোঃ ওয়াহিদুর রহমানের নিকট মোবাইল ফোনে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করায় মোঃ ওয়াহিদুর রহমান সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। জিডি নং- ১৮৯৫, তাং- ২৪/০২/১৮ইং
জিডি দায়েরের পর অফিসার ইনচার্জ বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করার জন্য এ এস আই কামরুল হাসানকে নির্দেশ দিলে বাদীকে সাথে নিয়ে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইলে চাঁদা দাবীকারী ও হুমকীদাতা হায়দারকে গ্রেফতারের অভিযানে বের হয়। এ সময় মোঃ ওয়াহিদুর রহমান টাকা কোথায় দিবে বলে যোগাযোগ করলে হায়দার প্রথমে চৌহাট্ট, এরপর আল হামরা শপিং সিটির সামনে, আবার কুদরত উল্লাহ মসজিদের সমানে এবং শেষে নগরীর তালতলা গুলশান হোটেলের ব্রিজের পাশে রাখার কথা বলেন। তার কথামত একটি বস্তা ব্রিজের পাশে রেখে দেয়া হয়। এ সময় পুলিশ ওঁৎপেতে বসে থাকেন। হায়দার উক্ত বস্তাটি নেয়ার সময় পুলিশ তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।
ডায়েরী সূত্রে জানা যায়, বাদী মোঃ ওয়াহিদুর রহমান দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ নগরীর কালিঘাটস্থ মেসার্স রহমানিয়া স্টোরে সার ও বিভিন্ন কীটনাশক ঔষধের ব্যবসা করে আসছেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেল আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটের সময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ০১৭২৫৮৮০৬৮৪ মোবাইল নাম্বার হতে মোঃ ওয়াহিদুর রহমানে ব্যবহতৃ ০১৭১৭৪১৫২০২ নাম্বারে ফোন করে জানায় তাকে প্রাণে মারার জন্য জনৈক ব্যক্তি ফোন দাতাকে দুই লক্ষ টাকা দিয়েছে, সে যদি ২ ঘন্টার মধ্যে তাকে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়ে দেয় তাহলে সে তাকে প্রাণে মারবে না। হুমকীদাতা মোঃ ওয়াহিদুর রহমানের পরিবারের সকল তথ্যই জানেন।
হুমকীর প্রেক্ষিতে থানা জিডি করলে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ২৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা সময় হায়দারকে গ্রেফতার করে থানা নিয়ে যায়। বর্তমানে সে থানা হাজতে রয়েছে। হায়দারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং- ৩২/১৮, তাং ২৫/০২/২০১৮ইং-বিজ্ঞপ্তি

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট