পরমাণু শক্তির ব্যবহার সম্পর্কে জানলেন সিলেটের শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত: ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৫, ২০১৮

পরমাণু শক্তির ব্যবহার সম্পর্কে জানলেন সিলেটের শিক্ষার্থীরা

পরমাণু শক্তির মাধ্যমে নির্মিত পাওয়ার প্লান্টের অভ্যন্তরে কিভাবে কাজ করা হয় তা নিয়ে অনেক দিনের কৌতুহল ছিল সিলেট অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী দুর্দানা চৌধুরীর।

বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী এই ছাত্রীর সেই কৌতুহল বাস্তবে রূপ দিয়েছে একটি সেমিনার। বিজ্ঞান বিষয়ক এই সেমিনারে এসে তার সকল প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েছে দুর্দানা। পাশাপাশি পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কেও অনেক তথ্য জেনেছে সে।

শুধু দুর্দানাই নয়; পরমাণু শক্তির বিভিন্ন কার্যক্রম, বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ফলে সুবিধা-অসুবিধা, পরমাণু বর্জ্যরে ব্যবস্থাপনাসহ সার্বিক বিষয় সম্পর্কে সিলেট জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতাধিক মেধাবি শিক্ষার্থীরাও জেনেছেন।

বুধবার সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানের আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার’-শীর্ষক সেমিনার ও বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করে সিলেট জেলা প্রশাসন এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর।

সকাল ১০টায় শুরু হওয়া সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আবু সাফায়াৎ মুহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম।

পরে আলোচনা করেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমার লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. আমিরুল আলম খান এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের প্রতিনিধি শাহজাহান আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. রাহাত আনোয়ার বলেন, বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনের জন্য ভ্রান্ত ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহকে প্রসারিত করতে হবে।

তিনি বলেন, পরমাণু শক্তিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে পরমাণুর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে জানাতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের এমন উদ্যোগকে স্বাগতও জানান তিনি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে সহজ ভাষায় বিজ্ঞানের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে শিক্ষকদের আহ্বান জানান তিনি। এক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের পক্ষ সার্বিক সহযোগিতারও আশ্বাস দেন।

তাছাড়া তিনি শিক্ষার্থীদের সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য জানার আগ্রহকে প্রসারিত করে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। এর মাধ্যমে সিলেটের শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পুরস্কার আনতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বক্তব্য শেষে বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দশ বিজয়ীকে বিজ্ঞানের বই ও সনদপত্র হাতে তুলে দেন অতিথিরা। বিজয়ীরা হচ্ছে- আহমদ হোসেন, অনিন্দিতা চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম শায়লা, ঋন্ধিকুমার রায়, নাবিদ সালেহীন, আনিকাহ্ রাইদাহ্, মো. জুবায়ের আহমদ, নাঈম আহমদ ও মীম সাহা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট