|
প্রকাশিত: ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
সিলেট সংবাদ ডেস্ক :: সিলেটের জৈন্তাপুরে সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতি বেশ উন্নতি হয়েছে। কঠোর নজরদারির মাধ্যমে অপরাধ দমন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। পৃথক কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া তেমন কোন বড় ধরণের সংঘাত লক্ষ্য করা যায়নি। কমে এসেছে অনিয়ম দুর্নীতি। এর সত্যতা মিলেছে সরেজমিন অনুসন্ধানকালে। যদিও সীমান্ত এলাকায় দুই পক্ষের আধিপাত্য বিস্তার নিয়ে সংঘাত সৃষ্টি হলে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান মোল্লার হস্তক্ষেপে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনা হয়। এরজন্য জৈন্তাপুর পুলিশ বেশ সুনাম অর্জন করতে দেখা গেছে। অনেক সাধারন জনগণ ওসি মাহবুবুর রহমান সহ থানায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে দেখা গেছে। এই সংঘাত থামাতে গিয়ে ওসি নিজেও আহত হোন। ঘটনাটি ঘটেছিল বিগত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলার ঘিলাতৈল এলাকায়।
জৈন্তাপুর সীমান্ত ও নদী থেকে চাঁদাবাজি বন্ধে কড়া নজরদারি রেখেছে থানা পুলিশ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ স্থাপন করে চাঁদাবাজি বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।
এদিকে সিলেট ৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও শ্রম কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর দিক নির্দেশনায় চোরাচালান ঠেকাতে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে পুলিশ। সিলেট জেলা পুলিশ সুপারও একই নীতি অনুসরন করছেন। মানব পাচার প্রতিরোধেও কঠোর নজরদারি রাখছে পুলিশ প্রশাসন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র সঙ্গে একযোগে চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে পুলিশ নিয়মিত যৌথ তৎপড়তা চালাচ্ছে।
সরেজমিন দেখা যায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক দুর্ঘটনা ও শৃংখলা ফেরাতে ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগীতা করে যাচ্ছে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ। বিশেষ করে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন এসব অপরাধ দমনে। ওসিকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন জৈন্তা-কানাইঘাট থানার দায়িত্বে থাকা সার্কেল অফিসার সালমান নূর নিজে।
অপরদিকে সম্প্রতি একটি কথিত গোষ্টি সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অবরোধ করতে দেখা গেছে। সেই অবরোধ প্রত্যাহারেও স্থানীয় পুলিশের ভুমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। পরবর্তীতে থানা পুলিশের সহযোগীতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়। প্রশাসনিক নজরদারি বাড়াতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে নিয়মিত মাসিক আইনশৃংখলা কমিটির সভা পরিচালনা করা হচ্ছে। চোরাচালান ও মাদক নির্মূলে জনসচেতনতা প্রচারাভিযান অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। এককথায় অতীতের সকল রেকর্ড পেছনে ফেলে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ জননিরাপত্তার আদলে ফিরতে শুরু করেছে। কিন্ত রহস্যজনক হলেও সত্য যে, একটি প্রভাবশালী অসাধু সিন্ডিকেট গোষ্ঠি বিশেষ কোন সুবিধা না পাওয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিত্তিহীণ অপপ্রচার চালাতেও দেখা যাচ্ছে। কোন সঠিক প্রমাণাদি ছাড়া কতিপয় পুলিশ সদস্য চাঁদাবাজি করছে মর্মেও কতিপয় চাঁদাবাজ সংবাদকর্মীরাও নামসর্বস্ব হীন বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে। এতে জৈন্তাপুর থানা পুলিশের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। এদের মধ্যে আরও দু’একজন হলুদ চাঁদাবাজ সংবাদকর্মী রয়েছেন চোরাকারবারি-মাদক ব্যাবসায়ী গডফাদারদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা নিতে অতি কৌশলে থানা পুলিশের কাজে ঈর্শ্বান্বিত হয়ে চোরাচালান-মাদককে আশ্রয় দিতে উল্টো আইনশৃংখলা অবনতি ঘটছে মর্মে পুলিশের বিরুদ্ধে গুজব রটিয়ে দিচ্ছে। ওরা একসময় প্রত্যেক স্পট থেকে প্রতিনিয়ত বড়ো অংকের চাঁদা হাতিয়ে নিতো। বর্তমানে পুলিশের সৎসাহসী অভিযান ও অপরাধ নির্মূলে তাদের সেই পকেটভারী করা ব্যাবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের অপরাধ ঢাকতে পুলিশকে লক্ষ্য করেই চলছে তীর নিক্ষেপ। তাদের ধারণা সৎ যোগ্য পুলিশ কর্মকর্তাদের সড়াতে পারলেই পূর্বের ভুমিকায় ফিরতে পারবে তারা।
অপতথ্যকারীরা তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অত্যন্ত সক্রিয় এবং সুসংগঠিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ভুয়া নিউজ ওয়েবসাইট এবং ডিপফেক প্রযুক্তির সাহায্যে তারা খুব দ্রুত মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা তৈরি, রাজনৈতিক ফায়দা লোটা বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এই অপতথ্য ছড়ানো হলেও জৈন্তাপুর থানা পুলিশ নীতিগত সিদ্ধান্তে অনড়।
এবিষয়ে আলাপকালে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুঠোফোনে বলেন, যে কোন শ্রেণী পেশার লোক হোক আর পুলিশ সদস্য হোক অনিয়ম দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এসময় তিনি বলেন, ফেসবুক, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউব ও ব্লগের মাধ্যমে যারা মতামত প্রকাশ করছেন তারা যেন সঠিক তথ্য প্রকাশ করেন এতে প্রশাসনের কাজ করতে সুবিধা হয়। কোন অপতথ্য ছড়ালে জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। তিনি এবিষয়ে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
এদিকে একটি সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে আগের চেয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গুজব তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি চলছে। সতর্ক অবস্থানে রয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D