ইতালিতে বছরে ১০ হাজার জনের কাজের সুযোগ: যাওয়া যাবে পরিবারসহ

প্রকাশিত: ৭:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

ইতালিতে বছরে ১০ হাজার জনের কাজের সুযোগ: যাওয়া যাবে পরিবারসহ

প্রতিবছর ইতালিতে বৈধভাবে প্রায় ১০ হাজার শ্রমিকের কাজের সুযোগ রয়েছে। পরিবারসহ এই সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার পর্যন্ত পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রোর সঙ্গে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী ও ইতালির রাষ্ট্রদূত।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ইতালিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অবৈধ অভিবাসী রয়েছেন। সেখানে অবস্থানরত প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশির মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের। অবৈধ অভিবাসন রোধে সমুদ্রপথে বিপজ্জনকভাবে যাত্রা কমাতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে যৌথ কর্মশালার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের বৈধ করার বিষয়ে এ বৈঠকে আলোচনা হয়নি। তবে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে যাতায়াত ঠেকাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে।

এছাড়া মালয়েশিয়ার শ্রমিক নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, দেশটির কাছে দুই লাখ শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে।

বৈঠকে খাদ্য অপচয় রোধ, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় ইতালির মিলান মডেল অনুসরণে বাংলাদেশে কাজ করার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়। এ ক্ষেত্রে খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, ভাষা প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। বাংলাদেশি স্থপতি ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ইতালিতে পাঠানোর প্রস্তাবও আলোচনা হয়েছে।

ইতালি পক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইতালীয় ভাষা প্রশিক্ষণে সহযোগিতা করতে তারা প্রতিনিধি পাঠাবে এবং একটি নির্দিষ্ট ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানো হবে।

ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রো বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, অভিবাসন ও শহরগুলোর টুইনশিপ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট