সীমান্ত দিয়ে নিয়ে আসা ৬টি ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ ৯ জন ধরা

প্রকাশিত: ৮:১৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২৬

সীমান্ত দিয়ে নিয়ে আসা ৬টি ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ ৯ জন ধরা

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ছয়টি অবৈধ ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (২৯ আগস্ট) তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেষে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয় সবাইকে।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকার কাটা জঙ্গল বিদ্যুৎ অফিসের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়ক থেকে তাদের আটক করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামছুল আলম শাহ্ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেরার কচুয়ারপাড় গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে কামিম আহম্মদ (২৮), সিলেট নগরীর ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের শাহী ঈদগা এলাকার মনির মিয়ার ছেলে করিম (৩০), সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন গদিগাঁও গ্রামের শাহ আলমের ছেলে সাইদুল ইসলাম (২২), সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন নলকট গ্রামের তরিক মিয়ার ছেলে পাবেল আহম্মদ (২৬), একই এলাকার নীলগাঁও গ্রামের খালেকের ছেলে হোসাইন (২৩), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দিরাই চান্দপুর গ্রামের হেমেন্দ্র চন্দ্রদাসের ছেলে রিপন চন্দ্র দাস (২৯), সিলেট নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের চারাদিঘিরপাড় এলাকার সালাউদ্দিনের ছেলে রাজু আহম্মদ (২৮), সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার তাতিকোনা গ্রামের সাহেদ আলীর ছেলে আবিদুল ইসলাম (২৮) এবং সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিঘর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে কাওছার হোসেন (২৬)।

শনিবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেষে আদালতে পাঠালে বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।

ওসি শামছুল আলম শাহ্ জানান- ময়নামতি এলাকার কাটা জঙ্গল এলাকায় সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে অবস্থান নেয় তারা। রাত আড়াইটার দিকে ছয়টি মোটরসাইকেলে করে নয়জন ওই এলাকায় পৌঁছায়। ডিবি পুলিশ তাদের থামার সংকেত দেয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ধাওয়া করে নয়জনকেই আটক করা হয়।

আটকের পর তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলগুলোর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হয়। তবে তারা কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশন কিংবা মালিকানাসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়- সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটরসাইকেলগুলো বাংলাদেশে নিয়ে আসে।

ওসির দাবি, তারা ভারত থেকে আনা এসব মোটরসাইকেল কুমিল্লা, ফেনী ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট