|
প্রকাশিত: ৭:০৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০২৬
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ভারত থেকে চোরাই পথে আনা ১৪টি মহিষ জব্দের পর ৯টি উধাও হওয়ার ঘটনায় বিজিবি বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে ইতোমধ্যে পাঁচটি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি মহিষগুলো উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত ২২ আগস্ট বড়লেখা থানায় মামলাটি করেন ৫২ বিজিবির অধীনস্থ বড়লেখার বিওসি টিলা ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. কামাল হোসেন।
মামলায় উপজেলার গৌরনগর গ্রামের হিফজুর রহমান, তার বড় ভাই লুৎফুর রহমান এবং চান্দগ্রাম বাজারের ইজারাদার ও নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলাল উদ্দিনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজিবি, পুলিশ, মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট বিজিবির বিওসি টিলা ক্যাম্পের আওতাধীন গৌরনগর এলাকায় লুৎফুর রহমান সীমান্ত অতিক্রম করে ভারত থেকে চোরাই পথে আনা মহিষের একটি চালান নিয়ে আসেন। পরে তিনি মহিষগুলো নিজের বাড়ির একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, লুৎফুর রহমানের বাড়িতে ১৪টি ভারতীয় অবৈধ মহিষ রয়েছে। এর পরদিন ১৫ আগস্ট মহিষগুলো উদ্ধারে বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে তার বাড়িতে অভিযান চালায়।
এ সময় লুৎফুর রহমান মহিষগুলোর মালিকানা দাবি করে দুটি রশিদ দেখান। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে বিজিবি রশিদগুলো ভুয়া বলে নিশ্চিত হয়। এ সময় লুৎফুর ও তার ভাই হিফজুর মহিষ উদ্ধারে বাধা দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
লুৎফুর রহমানের মালিকানা দাবির কাগজপত্র অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়টি সময়সাপেক্ষ হওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি রফিকুল ইসলামের জিম্মায় ১৪টি মহিষ রাখা হয়। তবে তিনি সন্দেহভাজন চোরাকারবারি লুৎফুর রহমানের বাড়িতেই থেকে মহিষগুলোর দেখাশোনা করছিলেন।
এদিকে টানা ছয় দিন বিজিবি বিভিন্ন হাটবাজার, ইজারাদার ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে। এতে চান্দগ্রাম বাজার থেকে মহিষগুলো কেনার দাবির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বিজিবি লুৎফুর রহমানের দেওয়া রশিদে উল্লেখিত বিক্রেতা রানু দাস ও আব্দুল মুকিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা মহিষ বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেন। তারা জানান, ওই রশিদে তারা স্বাক্ষর করেননি। তাদের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া রশিদ তৈরি করা হয়েছে বলেও তারা বিজিবিকে জানান।
এরপর শুক্রবার বিকেলে মহিষগুলো উদ্ধারে লুৎফুর রহমানের বাড়িতে আবারও অভিযান চালায় বিজিবি ও পুলিশ। তবে বাড়িতে কোনো মহিষ পাওয়া যায়নি। পরে বাড়ির পাশের জমিতে পাঁচটি মহিষের সন্ধান পেয়ে সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় অভিযানকারী দল।
এ ঘটনায় বাকি নয়টি মহিষ উদ্ধারে বিজিবি ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে রোববার দুপুরে বলেন, অবশিষ্ট মহিষ উদ্ধার ও মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D