২৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:৪৮ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০২৬
কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি থেকে ১২০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত একটি বোর্ডিং স্কুলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ শিক্ষার্থীর প্রাণহানি হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও ৭৪ শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এই তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
গিলগিল শহরে অবস্থিত উতুমিশি গার্লস স্কুলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এটি একটি মেয়েদের আবাসিক স্কুল।
গণমাধ্যমকর্মীদের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আহত শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কেনিয়া রেড ক্রস ও পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় শিক্ষার্থীরা ঘুমিয়ে ছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে খোঁজাখুঁজি ও উদ্ধার কার্যক্রম চলছে। তবে এখনো কর্তৃপক্ষ অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে পারেনি।
জরুরি সেবাদাতা, চিকিৎসাকর্মী ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন বলে জানিয়েছে রেড ক্রস।
পুলিশের কমান্ডার মাসৌদ উইনি স্কুলের বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবক ও অন্যান্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি।’
কেনিয়ার আবাসিক স্কুলগুলোতে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডে অসংখ্য শিক্ষার্থীর প্রাণহানি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ছাত্রাবাসে ধারণক্ষমতার চেয়েও বেশি শিক্ষার্থীদের থাকতে দেওয়া এবং যথাযথ নিরাপত্তা মানদণ্ড বজায় না রাখার কারণে দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৭ মে) স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ১টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
স্কুলের একটি ছাত্রাবাস ভবনের চারপাশ দিয়ে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ২২০ জন শিক্ষার্থী থাকতো।
উইনি জানান, ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
স্কুলের কমপাউন্ডে আপাতত শুধু অভিভাবকরা ঢুকতে ও বের হতে পারছেন।
ওয়ামবুই দেরিতুর ভাগ্নি ওই স্কুলের শিক্ষার্থী। তিনি বিবিসিকে জানান, তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্বেগ-আশংকার মুখোমুখি হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘যখন আমরা স্কুলে আসলাম, তখন আমাদেরকে লাইন ধরে দাঁড়াতে বলা হলো। আমরা সবাই উদ্বেগে ছিলাম। আমাদেরকে জানানো হয়েছিল যে কয়েকজন শিক্ষার্থী মারা গেছে এবং আরও অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।’
তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের অনেকে প্রাণ বাঁচাতে ছাত্রাবাসের ওপরের তলা থেকে লাফ দিতে যেয়ে আহত হয়েছে।
দেরিতু জানান, তার ভাগ্নি প্রাণে বেঁচে গেছে। তবে তার একটি পা ভেঙ্গেছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D