২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:৫৩ অপরাহ্ণ, মে ২৪, ২০২৬
সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার পরিবারের খোঁজখবর নিতে তাদের বাসায় গিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি।
রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় তিনি নিহত ফাহিমার পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং শোকসন্তপ্ত স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সান্ত্বনা জানান।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী ফাহিমার পরিবারের সদস্যদের সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এবং এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর সৃষ্ট সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন।
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে। অপরাধ বিভিন্ন জায়গায় ঘটলেও এটি একটি জঘন্যতম অপরাধ। এমন দুগ্ধপোষ্য বাচ্চার ওপর এই ধরনের নৃশংস নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি এই জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িতদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়েও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাসেম ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান।
পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার সময় মন্ত্রীর সাথে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের জালালাবাদ থানাধীন সোনাতলা গ্রামের শিশু ফাহিমা গত ৬ মে দুপুরে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় একই দিন পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজের তিন দিন পর বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় যুবসমাজ অভিযুক্তদের শনাক্তে কাজ শুরু করে। একপর্যায়ে গত ১১ মে জাকির নামের এক যুবককে জালালাবাদ থানা পুলিশ আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে জাকির ফাহিমাকে হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শিশু ফাহিমাকে পাশবিক নির্যাতন করে জাকির। এরপর ফাহিমাকে হত্যা করে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে ব্যাগে রাখে জাকির। পরে সেই ওড়নাসহ বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে দেয় জাকির। ওই ডোবা থেকে ৮ মে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত শিশু ফাহিমা সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। রাইসুল হক স্থানীয় বাজারে একটি দোকানে দিনমজুরের কাজ করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ফাহিমাকে হত্যার পর তাকে ওড়না পেচিয়ে বালতির মধ্যে রাখে। তার জিহ্বা ও চোখ দুটো বেরিয়ে এসেছিল। অপরাধী জাকির ইয়াবাখোর। ধর্ষণের পর শিশুটিকে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করে। তখন এলাকাবাসী শিশুটির খোঁজে চারিদিকে খোঁজ খবর রাখছিল, নয়তো সে কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিতো।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D