ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সি

প্রকাশিত: ৬:৪৪ অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২৬

ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সি

ইউক্রেন সংঘাতে রাশিয়ার পক্ষে যোদ্ধা সংগ্রহে প্রতারণামূলকভাবে মানুষ পাঠানোর অভিযোগে বাংলাদেশের একটি ভ্রমণসেবা প্রতিষ্ঠানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানটি হলো ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড টুরস লিমিটেড। মানবপাচার ও প্রতারণার মাধ্যমে বাংলাদেশিদের ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। একই অভিযোগে আরও ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে বাংলাদেশিদের প্রতারণা ও শোষণের জন্য দায়ী ড্রিম হোম ট্রাভেলস।

রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি এবং অভিবাসীদের প্রতারণার মাধ্যমে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করতে পাঠানোর সঙ্গে জড়িত ‘অসাধু চক্র’কে লক্ষ্য করে মোট ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

যুক্তরাজ্য সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া এই চক্র উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে বিদেশি অভিবাসীদের নিয়োগ করে। পরে তাদের যুদ্ধের সম্মুখভাগে পাঠানো হয় কিংবা অস্ত্র কারখানায় ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা হয়।

‘বৈশ্বিক অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের জন্য নিষেধাজ্ঞা’ আইনের আওতায় ড্রিম হোম ট্রাভেলসের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির যুক্তরাজ্যে থাকা সম্পদ জব্দ, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন বন্ধের মতো শাস্তি কার্যকর হবে।

ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সের্গেই মেরজলিয়াকভ এবং আবিদ কালিদ শারিফ আবিদ। তাদের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ও বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়োগ করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো এবং ফিনল্যান্ড ও পোল্যান্ডকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের কঠোর অবস্থানেরই অংশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট