সিলেট বাস টার্মিনালে সংঘর্ষে আহত আরেকজনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ৫:২৫ অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২৬

সিলেট বাস টার্মিনালে সংঘর্ষে আহত আরেকজনের মৃত্যু

সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন শ্রমিকদের সংঘর্ষে আহত আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে। দেলওয়ার হোসেন (৩৫) নামের এই বাসচালক বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ-তে মৃত্যুবরণ করেন।

ঘটনার পরদিন থেকেই তিনি আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

দেলওয়ার হোসেন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই বাগবাড়ি এলাকার কালা মিয়ার ছেলে।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন।

আনোয়ার হোসেন জানান- লাশের ময়না তদন্ত হচ্ছে। দাফন শেষে তারা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করবেন।

গত ২৭ এপ্রিল দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত টার্মিনাল এলাকায় দফায় দফায় শ্রমিকদের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাস ও টিকিট কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও শুরুতে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। পরে বিকেল চারটার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

জানা গেছে, সিলেট-জগন্নাথপুর রুটের এক শ্রমিক নেতার মৃত্যুর পর গঠিত আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে বিরোধ থেকেই এ মারামারির ঘটনা ঘটে।

ওই সংঘর্ষে দুই পরিবহন শ্রমিক গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন দেলওয়ার হোসেন।

এর আগে ২ মে গুরুতর আহত রিপন আহমদ (৩০) ওসমানী হাসপাতালে মারা যান। তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার রণকেলী উত্তর গ্রামের ছাবলু মিয়ার ছেলে। পেশায় মাইক্রোবাস গাড়ির চালকের সহকারী (হেল্পার) ছিলেন তিনি।

এদিকে, রিপনের মৃত্যুর ঘটনায় মঙ্গলবার (৬ মে) তার বাবা বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মইনুল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক ছাত্রদল নেতা ও শ্রমিক ইউনিয়নের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন (৩৬)-সহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মামলার এজাহারে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৬০ জনকে।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান জানান, আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন দেলওয়ার হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মামলাটির অগ্রগতি ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর আগে নিহত রিপনের পরিবারের পক্ষ থেকেও পৃথক একটি মামলা করা হয়।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট