বেসরকারি স্কুল-কলেজের সভাপতি হবেন কেবল সরকারি কর্মকর্তা

প্রকাশিত: ৯:৪৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৫

বেসরকারি স্কুল-কলেজের সভাপতি হবেন কেবল সরকারি কর্মকর্তা

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে আর সাধারণ কেউ নয়, শুধুমাত্র সরকারি চাকরিজীবী বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এ বিষয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নতুন নীতিমালার শর্ত অনুযায়ী- সভাপতির ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমান হতে হবে; নবম গ্রেড বা তার ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের চাকরিজীবী সরকারি কর্মকর্তা সভাপতি হতে পারবেন; অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে পঞ্চম গ্রেডের নিচে নয় এমন কর্মকর্তারা এ দায়িত্ব নিতে পারবেন; স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও সভাপতি হওয়ার যোগ্য হবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কমিটি গঠন করতে হবে। এরপর ১ ডিসেম্বর থেকে সব অ্যাডহক কমিটি বাতিল হয়ে যাবে।
আন্ত শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক খন্দোকার এহসানুল কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিদ্যমান নিয়মে একটি সংশোধন আনা হয়েছে। শুধু সভাপতি পদটির জন্য পরিবর্তন করা হয়েছে। অন্য পদগুলো আগের মতোই বহাল আছে।’
গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ১৮ নভেম্বর সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এবার সেই অ্যাডহক কমিটিগুলোর স্থলে নিয়মিত পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।