সাদাপাথর লুট, প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি

প্রকাশিত: ৭:৫৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০২৫

সাদাপাথর লুট, প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি

সিলেটে সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি।

বুধবার (২০ আগস্ট) বিকেলে ৭ পৃষ্ঠার এ প্রতিবেদনটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ।

তবে, প্রতিবেদনে কি কি বিষয় উঠে এসেছে, তা জানাননি জেলা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা।

তবে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগেই জেলা প্র্রশাসকের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) শের মাহবুব মুরাদ। বুধবার বেলা ১২ টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ছাড়েন তিনি। এরপর প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) নতুন জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম এর দায়িত্ব গ্রহণের কথা রয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর লুট নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত ১২ আগস্ট তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদ। এই কমিটিকে তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিলো।কমিটি ৭২ ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা আর সম্ভব হয়নি। পরে আরও ৭২ ঘন্টা সময় বাড়ানো হয়।বুধবারই ছিল বর্ধিত সময়সীমার শেষ দিন।

কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) পদ্মাসেন সিংহ। অপর দুই সদস্য হলেন- কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও আজিজুন্নাহার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আফজালুল ইসলাম।

এ কমিটি গঠনের পর থেকেই শুরু হয় সমালোচনা। বিশেষত কমিটিতে কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও আজিজুন্নাহারকে রাখা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। সাদাপাথর লুটপাট ঠেকাতে ব্যর্থতা ও লুটপাটকারীদের ব্যাপারে উদাসীনতার অভিযোগ রয়েছে এই ইউএনওর বিরুদ্ধে।

সমালোচনার মুখে সোমবার (১৮ আগস্ট) সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) শের মাহবুব মুরাদকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) এবং কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুন্নাহারকে বদলি করা হয়।

এর আগে, সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনায় ১৫শ থেকে ২ হাজার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো।

জানা যায়, সম্প্রতি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের সাদাপথরের প্রায় ১০ লাখ ঘনফুট পাথর লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

বিষয়টি জানাজানি হলে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। রিট হয় উচ্চ আদালতে। আদালত লুন্টিত পাথর উদ্ধার করে আবার যথাস্থানে প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দেন। এরপর সিলেট এবং নারায়নগঞ্জে শুরু হয় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান। বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫ লক্ষাধিক ঘনফুট সাদাপাথর।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট