২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:১৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২
মোহাম্মদ আব্দুর রহিম (বান্দরবান)
বান্দরবানের সীমান্তে বার্মিজ যুদ্ধবিমান থেকে দুটি গোলাবর্ষণ করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম এলাকায় গোলা দুটি পড়ে বলে নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. তারিকুল ইসলাম পিপিএম।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের তুমব্রু সীমান্তের রেজু আমতলী বিজিবি বিওপির আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৪০-৪১-এর মাঝামাঝি স্থানে মায়ানমার সীমান্তের ওপারে সেনাবাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান এবং দুটি ফাইটিং হেলিকপ্টার টহল দেয়। সেই যুদ্ধবিমান থেকে প্রায় আট থেকে ১০টি গোলা ছোড়া হয়। এছাড়া হেলিকপ্টার থেকেও আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫টি গুলি করতে দেখা যায়। এ সময় বাংলাদেশের সীমানার পিলারের ৪০ এর আনুমানিক ১২০ মিটারের অভ্যন্তরে যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া গোলা দুটি পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ির ১ নাম্বার ওয়ার্ডের তুমব্রু বিজিবি বিওপির সীমান্ত পিলার ৩৪-৩৫-এর মাঝামাঝি মিয়ানমারের অংশের ২ বিজিপির তুমব্রু রাইট ক্যাম্প থেকে চার রাউন্ড ভারী অস্ত্রের গুলি করা হয়। এখনো মিয়ানমারের মুরিঙ্গাঝিরি ক্যাম্প ও তমব্রু রাইট ক্যাম্প থেকে থেমে থেমে গোলাগুলি চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় আতঙ্কে আছেন স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, তমব্রু সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রবিবার দুটি এবং বৃহস্পতিবার একটি মর্টার শেল এসে পড়েছে। সর্বশেষ শনিবার সকালে আবারও দুটি বিমান থেকে ছোড়া গোলা দেশের অভ্যন্তরে এসে পড়েছে। পাশাপাশি দুটি হেলিকপ্টার বাংলাদেশের সীমানা ঘেঁষে টহল দিতে দেখা দেখা যাওয়া সীমান্তে বসবাসরত স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে করছে।
বান্দরবানের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ির বাংলাদেশ মায়ানমার সীমান্তে ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় আছে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত রবিবার (২৮ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে মিয়ানমার থেকে নিক্ষেপ করা দুটি মর্টার শেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় ঘুমধুমের তমব্রু উত্তর মসজিদের কাছে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল ওই দুটি মর্টার শেল নিষ্ক্রিয় করেন। সেই থেকে এখনো পর্যন্ত বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের মিয়ানমার সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D