২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৭
রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের সম্মানের সাথে মায়ানমারে ফিরিয়ে নিতে ও তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মহলগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।’
বুধবার শারদীয় দুর্গাপূজা পরিদর্শনে গিয়ে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সেনা অভিযানের মুখে রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মায়ানমারকে বাধ্য করতে হবে। এ ব্যাপারে ওআইসি’র সদস্য রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে।
এ সময় অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহায়তা দিতে দেশি-বিদেশি, সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সম্মানের সাথে মায়ানমারে ফিরিয়ে নিতে ও তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মহলগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।’
একাত্তরের স্মৃতিচারণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রতিবেশী দেশ ভারত আমাদের শরণার্থীদের আশ্রয় ও সহায়তা দিয়ে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করেছে। রোহিঙ্গারাও এখন অসহায়, দেশছাড়া। তাদের প্রতিও আমাদের সহমর্মিতা থাকতে হবে। তাদের দুঃখের দিনে পাশে দাঁড়াতে হবে, সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে।’
সম্প্রতি কাজাখস্তানে ওআইসির এক সম্মেলনেও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিশ্ববাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন আব্দুল হামিদ।
বানীতে বলা হয়, তথ্যে প্রবেশাধিকারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সাধন’-এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বৃহস্পতিবার বাংলাদেশেও ‘আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০১৭’ দিবস পালিত হবে।
তিনি বলেন, তথ্যপ্রাপ্তি ও জানা মানুষের গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানে তথ্য জানার অধিকার মানুষের অন্যতম মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে জনগণের চিন্তা ও বিবেক, বাক্ ও ভাবপ্রকাশ এবং সংবাদ ক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। সরকার জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর। তথ্য জানার অধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়েই বর্তমান সরকার ‘তথ্য অধিকার আইন ২০০৯’ প্রণয়ন করেছে এবং এ লক্ষ্যে তথ্য কমিশন গঠন করেছে। ফলে তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আবদুল হামিদ বলেন, তথ্যই শক্তি। তথ্য মানুষকে সচেতন করে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ যেমন নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক, তেমনি তা সমাজ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের ক্ষমতায়নকে প্রতিষ্ঠা করে। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের তথ্য অধিকার ও তথ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, সরকারি অফিসগুলোতে ওয়েব পোর্টালের পাশাপাশি নতুন নতুন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, বেতার ও কমিউনিটি রেডিও এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।
তথ্য অধিকার আইনের সফল প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম সম্পর্কে স্বচ্ছধারনা পাচ্ছে এবং দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে। ‘আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস’ পালনের মাধ্যমে তথ্য অধিকার সম্পর্কে জনসচেতনতা আরো বৃদ্ধি পাবে, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করবে এবং জনগণের ক্ষমতায়ন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে জনগণ ও সরকারের মধ্যে আস্থার পরিবেশ গড়ে তুলতে তথ্য কমিশন সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরো সুসংহত করতে তথ্য কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D