শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেসের স্টপেজের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেসের স্টপেজের দাবিতে মানববন্ধন

হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেসের বিরতিহীন বাস সার্ভিসে শ্রীমঙ্গলে স্টপেজ না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শ্রীমঙ্গলের যাত্রীরা। এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত শ্রীমঙ্গলে বাসটির স্টপেজ চালুর দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় শ্রীমঙ্গল চৌমুহনায় সর্বস্তরের ভুক্তভোগী জনসাধারণ উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সংগীতশিল্পী মো. তারেক ইকবাল চৌধুরীন এর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নিহার রঞ্জন দেবনাথ, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালী দত্ত, সিনিয়র সাংবাদিক মো. কাওছার ইকবাল, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ ছায়েদ আহমদ, সিনিয়র সদস্য সৈয়দ আমিরুজ্জামান, সুলতান আহমদ, সদস্য মো. ওয়াহিদ হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শ্রীমঙ্গল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জ ও সিলেটমুখী বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বাস সার্ভিসে শ্রীমঙ্গলে কোনো স্টপেজ না থাকায় যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

তারা বলেন, বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেশি। শ্রীমঙ্গল থেকে বাসটিতে সরাসরি ওঠার সুযোগ না থাকায় অনেক যাত্রীকে বিকল্প পরিবহন ব্যবহার করতে হচ্ছে। কেউ কেউ গন্তব্যের আগে বা পরে নেমে অন্য যানবাহনে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, শ্রীমঙ্গলবাসী কোনো বিশেষ সুবিধা দাবি করছে না; তারা ন্যায্য ও স্বাভাবিক যাতায়াতের সুযোগটুকু চাচ্ছেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদে বাসটির স্টপেজ না থাকা পরিবহন ব্যবস্থায় বৈষম্য সৃষ্টি করছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধারণ যাত্রীরা বলেন, প্রতিদিনের যাতায়াতে শ্রীমঙ্গলবাসীকে যে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তা দ্রুত নিরসন করা প্রয়োজন। শ্রীমঙ্গলে একটি স্টপেজ চালু হলে শত শত মানুষের সময়, শ্রম ও অর্থ সাশ্রয় হবে।

বক্তারা দ্রুত হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেসের শ্রীমঙ্গল স্টপেজ চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।