২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুইজন বিজিবি সদস্যও রয়েছেন। আহতদের সবাইকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে নিজপাট ইউনিয়নের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের টিপরাখলা এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় বিজিবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অন্তত ১০-১৫ রাউন্ড গুলি চালায়।
খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার সালমান নুর আলম, জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা, তদন্ত কর্মকর্তা উসমান গনি এবং অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
রাত ১২টার দিকে সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
আহত নুরনবী মিয়ার পুত্র গুলিবিদ্ধ আতিক আহমদ (২২) এবং বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম (৪৩) সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্য আহতরা হলেন বিজিবির ল্যান্স নায়েক মো. ওমর ফারুক (৪০), স্থানীয় রায়হান মিয়া (২৪) ও নুরজাহান বেগম (৪০)। গুলিবিদ্ধ আতিকের গায়ে পাঁচ রাউন্ড গুলির আঘাত রয়েছে। বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিজিবি সদস্যরা টহল দেওয়ার সময় স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা হয়। বিজিবি সীমান্তবর্তী বসতবাড়ি তল্লাশি ও কয়েকজনকে লাঠিচার্জ করলে জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ শুরু করে। এ ছাড়া ২০ জানুয়ারি টিপরাখলা সীমান্তে গরু চোরাচালান আটকানো নিয়ে বিজিবি ও স্থানীয়দের মধ্যে মারামারি হয়, যার ফলে অন্তত ৩০-৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
এই মামলার প্রেক্ষিতে ও বৃহস্পতিবারের ঘটনার পর বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে বিজিবি সদস্য সাহাঙ্গীর আলম আহত হন। পরে বিজিবি গুলি চালায়। ঘটনার পর বিজিবি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করেছে। রাতেই ১৯ বিজিবি জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তদন্ত শুরু করেন।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধসহ আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D