যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে কঠোর রূপ, নতুন পাঁচটি ধাপ

প্রকাশিত: ৬:২৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে কঠোর রূপ, নতুন পাঁচটি ধাপ

Manual7 Ad Code

দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর অভিবাসী ইস্যুতে আরও কড়াকড়ি নিয়ে এসেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এক বছরে লাখ লাখ অভিবাসীর প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে, সরকারি সহায়তাকারীদের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে এবং দেশে থাকা বহু অভিবাসীর সুরক্ষা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এবার আরও কঠিন নীতি বাস্তবায়নের পথে যাচ্ছে দেশটির প্রশাসন।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান বাস্তবায়নকারী হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের (USCIS) পরিচালক জোসেফ এডলো। তিনি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কট্টর অবস্থানের জন্য পরিচিত।

Manual6 Ad Code

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দিনে অভিবাসন নীতি আরও কঠোর হতে পারে। প্রধান পাঁচটি পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে:

১. কঠোর যাচাই-বাছাই ও বাড়তি প্রয়োগ: নাগরিকত্ব পরীক্ষাকে আরও কঠিন করা হয়েছে। আবেদনকারীদের ‘সৎ চরিত্র’ প্রমাণের জন্য কমিউনিটি সম্পর্ক, সামাজিক অবদান ও ইতিবাচক গুণাবলি প্রদর্শনের মানদণ্ড বাড়ানো হয়েছে।

Manual3 Ad Code

২. ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় আবেদন কার্যত স্থবির: নিষিদ্ধ দেশের নাগরিকদের জন্য আশ্রয় ও অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া থমকে গেছে। এতে প্রায় ২০ শতাংশ আবেদনকারী কার্যত প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ছেন। নিষিদ্ধ দেশের পাসপোর্টধারীরা যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও নতুন সুবিধার আবেদন, নবায়ন বা স্ট্যাটাস পরিবর্তন করতে পারছেন না।

৩. কর্মভিসার মেয়াদ কমানো: বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমতিপত্রের মেয়াদ ৫ বছর থেকে কমিয়ে ১৮ মাস করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এতে প্রতারণা কমবে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড শনাক্ত করা সহজ হবে।

৪. সরকারি সহায়তার প্রয়োজন নেতিবাচক হিসেবে গণ্য: নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়মে কোনো আবেদনকারী যদি ভবিষ্যতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা নেন, তা নাগরিকত্ব বা ভিসা আবেদন বাতিলের কারণ হিসেবে গণ্য হবে। এতে মিশ্র-স্ট্যাটাস পরিবারে থাকা কিছু বৈধ অভিবাসী বা নাগরিকদের সেবা পাওয়ার অধিকার সীমিত হতে পারে।

৫. মানবিক কর্মসূচি বাতিল: টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস বাতিলের ফলে হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় প্রায় ৭৬ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া কিউবান, হাইতিয়ান, নিকারাগুয়ান ও ভেনেজুয়েলানদের জন্য থাকা প্যারোল কর্মসূচি বাতিল হওয়ায় আরও প্রায় ৫ লাখ মানুষ আইনি মর্যাদা হারাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ না ছাড়লে তারা বহিষ্কারের ঝুঁকিতে পড়বেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো আমেরিকান জনগণের স্বার্থ রক্ষা। তার সংস্কারগুলো সেই লক্ষ্য প্রতিফলিত করে।’

Manual5 Ad Code


 

Manual5 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code