‘রিটার্নিং কর্মকর্তা অবৈধভাবে মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন’

প্রকাশিত: ৬:৪৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২৬

‘রিটার্নিং কর্মকর্তা অবৈধভাবে মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন’

সিলেট-১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এনসিপি প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধভাবে বাতিল করেছিলেন। যা একটি অশুভ ইশারায় হয়েছিল। তবে সেই অশুভ শক্তি কারা সেটা বলতে পারেননি এনসিপি নেতৃবৃন্দ।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিলেট জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।

সিলেট-১ আসনে এনসিপি প্রার্থী এহতেশামুল হকের মনোনয়ন ফিরে পাওয়া ইস্যুতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অনির্বাচন কমিশন আইন ও ন্যায় বিচারের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ালে শেষ পর্যন্ত জনগণের অধিকার রক্ষা পায়। সিলেট-১ আসনে জনগণের প্রত্যাশার স্পষ্ট স্বীকৃতি। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত সেই আস্থাকে আরো দৃঢ় করেছে।

তারা বলেন, শাপলা কলি সিলেট-১ আসনের জনগণের আশা-আকাঙ্কা, উন্নয়ন ও ন্যায়ের প্রতীক। এহতেশামুল হক জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে জাতীয় সংসদে গিয়ে এলাকার বাস্তব সমস্যা, সম্ভাবনা ও মানুষের ন্যায্য দাবিগুলো দৃঢ়ভাবে তুলে ধরবেন।

তাছাড়া এনসিপি সিলেট জেলা ও মহানগর কমিটি শান্তিপূর্ণ, শালীন ও ইতিবাচক নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রেখে জনগণের দ্বারে দ্বারে শাপলা কলির বার্তা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল।

বক্তারা বলেন, এনসিপি শুরু থেকেই স্বচ্ছ রাজনীতি, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের একতরফতা সিদ্ধান্ত এনসিপিকে মর্মাহত করেছে।

বক্তারা বলেন, সিলেট-১ আসনের সম্মানিত জনগণ, আমাদের নেতাকর্মী এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান তারা।

এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নেতৃবৃন্দ জানান, জোট এখনো চাইলে সিলেটে ৩টি আসন এনসিপিকে দিতে পারে। সে ব্যাপারে আমরাও আশাবাদি। আর আসন না পেলেও আমরা জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবো। তাতে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে হলেও আমরা মাঠে থাকবো।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, এনসিপি সিলেট জেলার আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ, মহানগরের সদস্য সচিব কিবরিয়া সওয়ার, জেলার সদস্য সচিব প্রকৌশলী মো. কামরুল আরিফ।