২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:২৪ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৭
রাজশাহী মহনগরীরর পর এবার জেলা বিএনপির কর্মী সমাবেশেও দলের কেন্দ্রীয় নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এর সামনেই দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর পাঠানপাড়া এলাকায় উত্তরা কমিউননিটি সেন্টারে প্রতিনিধি সম্মেলনে জেলার সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফা ও জেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপুর সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
এ সময় নেতাকর্মীরা মঞ্চ লক্ষ্য করে জুতা-স্যান্ডেল ও পানির বোতল ছুড়ে মারে। মঞ্চের ব্যানারো টেনে-হিঁচড়ে ছিঁড়ে ফেলা হয়। ভাঙচুর করা হয় চেয়ারটেবিল।
এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারম্যার পারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তাদের সামনে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দলের নেতাকর্মীরা। পরে তারা তিনজন বক্তব্য রেখে সমাবেশ শেষ করে দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিনিধি সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপুকে সভাপতি ঘোষণা করার পর সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্তফার সমর্থকরা সমাবেশ স্থলে হৈচৈ শুরু করে। এসময় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় দলের কেন্দ্রীয় নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আবার সমাবেশ শুরু হয়। এর পর মঞ্চে ডাকা ও নাম ঘোষণা নিয়ে দ্বিতীয় দফায় হৈচৈ ও হাতাহাতি ও ভাংচুর করে নাদিম মোস্তফা সমর্থকরা।
এসময় নাদিম সমর্থকরা মঞ্চে উঠে ব্যানার টেনে ছিড়ে ফেলে। এর কিছুক্ষণ পর নাদিম সমর্থক জেলার সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন ও যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মহাসিনের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে গিয়ে সমাবেশ স্থলে প্রবেশ করে ভাংচুর শুরু করে। এ সময় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উঠে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তবে এ ঘটনার সময় কমিউন্টি স্টোর থেকে নেতাকর্মীরা বের হয়ে যায়। পরে রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার মাইক নিয়ে নেতাকর্মীদের ভিতরে প্রবেশ করতে বলে এবং তিনি বক্তব্য রাখেন। এর পর গয়েম্বর চন্দ্র রায় ও মিজানুর রহমান মিনু বক্তব্য রেখে সমাবেশ শেষ করে দেয়। জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, জেলা বিএনপির নতুন কমিটির পদ বঞ্চিত বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীদের ক্ষোভের বহির প্রকাশ ঘটেছে। যারা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্তফার অনুসারি। প্রতিনিধি সম্মেলন পন্ড করতে পরিকল্পিতভাবে তারা এ সব ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।
মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারি পুলিশ কমিশনার ইফতে খায়ের আলম বলেন, পুলিশ সমাবেশ স্থলের বাহিরে নিরাপত্তায় ছিল। সমাবেশ স্থলের ভিতরে নিজের মধ্যে হাতাহাতি ও চেয়ার টেবিল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দলের কেন্দ্রী নেতারাই সেটি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ব্যাপারে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
এর আগে দিন সোমবার বিকালে একই স্থানে রাজশাহী মহানগর বিএনপির কর্মী সম্মেললে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে দুই দফায় সংঘর্ষ হয়। এসময় নিজ দলের নেতাকর্মীদের বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে জখম করতে দেখা যায়। এতে আহতদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D