ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারী

প্রকাশিত: ৬:২২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১১, ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী বছরের (২০২৬ সাল) ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে।

ওইদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা-কালো। আর গণভোটের ব্যালটের রং হবে গোলাপি। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এ দুটি নির্বাচনের তফশিল আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

এর আগে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে সিইসির ভাষণ রেকর্ড করেছে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতার।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা ছিল। তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে সবকিছুর অবসান ঘটলো। নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় প্রকাশ করলো দেশ।

এ নির্বাচনে প্রবাসীরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর ৮ আগস্ট অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যাত্রা শুরু হয়। এ সরকারের বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে ২০২৫ সালের ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা দেন ফেব্রুয়ারীর প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন হবে। পরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের সিদ্ধান্ত হয়। ১৩ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা দেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট হবে। ওই ঘোষণার সময়সীমার মধ্যে এ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে এটিই প্রথম নির্বাচন।

নির্বাচন পরিচালনায় ‘অনভিজ্ঞ’ এই অন্তর্বর্তী সরকার ও ইসির অধীনে একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হতে যাচ্ছে।

এর আগে, নির্বাচন কমিশন এক নির্দেশনায় জানায়, সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পরদিন হতে ভোটগ্রহণের দুই দিন পর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালনার্থে প্রতি উপজেলা/থানায় অন্যূন দুইজন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ১ হাজার ২৩৪ জন।

এ ছাড়া, এবার ৩০০ আসনে মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। আর মোট ভোটকক্ষ থাকবে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৯টি। এর মধ্যে পুরুষ ভোটকক্ষ ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি। আর মহিলা ভোট কক্ষ ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট