২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৩৪ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৭, ২০১৭
প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের স্ত্রী ও সুনামগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচিত ড. জয়া সেনগুপ্ত বলেছেন, নিজেকে একজন দুর্ভাগা সংসদ সদস্য হিসেবে মনে হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রথমত, আমি স্বামীকে হারিয়ে (মৃত্যুর পর) সংসদ সদস্য হয়েছি। দিরাই-শাল্লার (সুনামগঞ্জ-২) জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য বানালো।
আর নির্বাচিত হবার পরদিন থেকেই আমার এলাকার মানুষের ফসলহানি শুরু হয়েছে। তাদের দুঃখ দুর্দশার সীমা নেই।
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘হাওরের সঙ্কট ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক ব্র্যাকের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।প্রয়াত বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের স্ত্রী হাওর অঞ্চলে কৃষকের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, ওই এলাকার মানুষের একমাত্র ফসল হচ্ছে বোরো। এটা নষ্ট হওয়ার পর তাদের দুঃখের কোনো সীমা নেই।
তিনি বলেন, আমার এলাকার মানুষের শতভাগ ফসল বিনষ্ট হয়েছে। পানিতে ফসল পচে দুর্গন্ধ হয়ে মাছও মরে যাচ্ছে। শুধু কৃষক নয়, জেলে সম্প্রদায়ও ক্ষতির মুখে পড়েছে। প্রতিবছর এ এলাকার কৃষক অপেক্ষায় থাকেন বোরো কেটে ঘরে তুলবেন, ঋণ শোধ করবেন। উৎসব করবেন কিন্তু, এখন তাদের ঘরেই খাবার নেই।
জয়া সেন গুপ্ত বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা দিরাই উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়ন রয়েছে। প্রতি ইউনিয়নের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৩৫ টন করে চাল ও নগদ ১০ কোটি টাকা এবং শাল্লা উপজেলার প্রতি ইউনিয়নে ৫০ টন করে চাল ও নগদ টাকাসহ অন্যান্য উপকরণের চাহিদা দেয়া হয়েছে। এখন মন্ত্রণালয় থেকে কতটুকু পাওয়া যায় সেটাই বিষয়। সরকারের পাশাপাশি তিনি বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও হাওর অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D