১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:৪২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২৫
সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের আল হামরা শপিং সিটিতে স্বর্ণের দোকান চুরির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ প্রশাসনকে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) সিলেট জেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর বন্দরবাজার এলাকার রংমহল টাওয়ারস্থ সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আল্টিমেটাম দেন নেতৃবৃন্দ।
গত ৯ জানুয়ারি আল হামরার চতুর্থ তলার নুরানি জুয়েলার্স নামক দোকানের পেছনের দরজার তালা ভেঙে ২৫০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে নিয়ে যায় ৭-৮ জনের চোর চক্র। যাওয়ার সময় নতুন তালা লাগিয়ে দিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী দেওয়ান মো. জাবেদ চৌধুরী মামলা দায়ের ও ঘটনার সাথে জড়িতদেরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার বা স্বর্ণ উদ্ধার হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে বাজুস সিলেট জেলা সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান সওদাগর বলেন, মামলা দায়েরের পর দফায় দফায় আমরা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমাদেরকে শুধু বলা হচ্ছে, তাদের কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। চোরদের তারা শনাক্ত করে ফেলেছেন, শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যত অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে চোর চক্রকে ধরতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়া হলো। এই সময়ের মধ্যে চুরির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, এ ঘটনার আগেও সিলেটে এরকম ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। শুধু জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে এমনটা হচ্ছে কেন? স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের দোকানে চুরি, ডাকাতির কোনো ঘটনারই সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হয়নি। তাই ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মাঝে।
নেতৃবৃন্দ জানান, আমাদের সঙ্গে আল হামরা শপিং সিটির ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সিলেট চেম্বার ও সিলেটের সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্মতা পোষণ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন বাজুসের স্টেন্ডিং কমিটি অন ডিস্ট্রিক্ট মনিটরিং সদস্য নীহার কুমার রায়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) সিলেট জেলার শাখার সহ সভাপতি আব্দুল কাদির মল্লিক, সহ সম্পাদক ইয়াছিন আহমদ ও লক্ষণ ঘোষ, কোষাধ্যক্ষ রতন দে প্রমুখ।
এব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, চোরদের শনাক্ত করা গেছে। কিন্তু তারা বার বার স্থান পরিবর্তন করায় তাদের ধরতে বেগ পেতে হচ্ছে। আশা করি শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D