সিলেটবাসীর আবেগের স্থান তারেক পত্নী ডাঃ জোবাইদা রহমান

প্রকাশিত: ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৯, ২০২৪

সিলেটবাসীর আবেগের স্থান তারেক পত্নী ডাঃ জোবাইদা রহমান

এম এ রহিম, সিলেট


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান। যিনি সিলেট অঞ্চলে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আলোচনায় এসেছেন। সিলেটের উন্নয়ন যাত্রা শুরু করার প্রধান সৈনিক মাহবুব আলী খানের কন্যা জোবাইদা রহমান। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ডা. জোবাইদা। এসব পরিচয়কে সামনে রেখে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ অনেক আগে থেকেই ডা. জোবাইদা রহমানকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে আসছেন। সিলেটের মানুষের আশা আকাঙ্খা পূরণে তিনিই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবেন-এমন প্রত্যাশার কথা দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বহু কারণে ডা. জোবাইদা রহমান এখন সিলেটবাসীর আবেগের স্থানে পরিণত হয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা বলেছেন ডা. জোবাইদা রহমানকে নিয়ে সিলেটের সব ধরণের মানুষের মধ্যে স্বপ্ন বিজয়ের আশা জেগেছে। এই স্বপ্ন থেকে সিলেটবাসী চাচ্ছেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনের হাল ধরবেন তিনি। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মর্যাদাপূর্ণ এই আসনকে আরো মর্যাদাবান করে তুলবেন ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ডা. জোবাইদা রহমান। সিলেটবাসীর স্বপ্ন পূরণে পরিবারের কৃতি সন্তানদের ন্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন তিনি। পাশপাশি নির্বাচনে সৃষ্টি হবে ভোট বিপ্লব। সিলেট বিভাগের ১৯ টি আসনেই প্রভাব পড়বে জোবাইদা রহমানের নির্বাচন নিয়ে। ১৯টি আসনেই ধানের শীষ প্রতীক রেকর্ড পরিমাণ ভোট পেয়ে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সিলেটে বিএনপির রাজনীতি আরো শক্তিশালী ঘাঁটিতে রূপ পাবে। শৃঙ্খলা আসবে দলের মধ্যে।
সিলেটের বিশিষ্ট সাংবাদিক এম সিরাজুল ইসলাম জানান, ডা. জোবাইদা রহমান সিলেটের হাল ধরলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন হবে। এতে কোনো সন্দেহ থাকবে না। জিন্দাবাজারের শুকরিয়া মার্কেটের আহমদ আলী জানান, সিলেটের উন্নয়ন শুরু হয়েছিল জোবাইদা রহমানের পিতা মাহবুব আলী খানের হাত ধরে। যা সিলেটবাসী আজো স্মরণ করেন। সেই মাহবুব আলী খানের কন্যা জোবাইদা রহমান আসন্ন নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে বাধ ভাঙ্গা জোয়ার সৃষ্টি হবে। কারণ এই অঞ্চলের মানুষ জানেন ওই পরিবারের সদস্য জোবাইদা রহমানই সিলেটবাসীর আশা আকাঙ্খা ও স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।
সিলেট মুরাদপুর মুক্তিরচক এলাকার বিএনপির কর্মী কয়েছ আহমদ জানিয়েছেন, ডা. জোবাইদা রহমান সিলেটের হাল ধরলে এই এলাকা নানান দিক থেকে এগিয়ে যাবে। বিশেষ করে দলীয় রাজনীতি হবে সুদৃঢ়। বিএনপির রাজনীতিতে কোনো ধরণের কোন্দল থাকবে না। সবাই এক ছাতার নিচে অবস্থান নেবেন। যেখান থেকে জোবাইদা রহমানের নেতৃত্বে এই অঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন পুরণ করা যাবে।

শাহপরাণ এলাকার বিএনপির কর্মী রেদওয়ান হোসেন জানান, সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ চাচ্ছেন ডা. জোবাইদা রহমান সিলেট অঞ্চলের হাল ধরবেন। এতে ভোট বিপ্লব হবে সিলেট বিভাগজুড়ে। বিভাগের ১৯টি আসনেই বিএনপির ব্যাপক বিজয় হবে।

শিববাড়ি জৈনপুরের বিএনপি কর্মী আজাদ মিয়া জানান, জোবাইদা রহমান সিলেটের ঐতিহ্যবাহি পরিবারের সন্তান। তাঁর বাবা মাহবুব আলী খানের হাত ধরে সিলেট অঞ্চলের উন্নয়ন শুরু হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতা আবার শুরু হবে ডা. জোবাইদা রহমান সিলেটের হাল ধরলে।
জোবাইদা রহমানের বাবা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রধান ছিলেন। এক সময় তিনি যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী জোবাইদা রহমানের কাকা। এছাড়া তিনি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আইরিন খান এর চাচাতো বোন।
১৯৯৫ সালে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দেওয়ার আগে ১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তারেক রাহমানের সাথে জোবাইদার বিয়ে হয়। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।
জোবাইদা ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে মেডিসিন বিভাগে বিদ্যায়ন করে রেকর্ড নম্বর ও স্বর্ণপদক নিয়ে এমএসসি করেছেন। তিনি চিকিৎসকদের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় প্রথম হয়ে ১৯৯৫ সালে চিকিৎসক হিসেবে প্রজাতন্ত্রের চাকুরীতে যোগ দেন।



সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট