সিলেটে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত, আটক ৬

প্রকাশিত: ৬:০৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০২৪

সিলেটে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত, আটক ৬

সিলেট নগরীর শাহপরাণ বাহুবল এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বিলাল আহমদ মুন্সী (৩৫) শাহপরাণ বাহুবল আবাসিক এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় কাউন্সিলরের পিএস ছিলেন। এছাড়া তিনি নিজ ওয়ার্ড বিএনপির নেতা ছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাহুবল এলাকার স্কুলছাত্র সাকের ও রাশেদের মধ্যে সিনিয়র ও জুনিয়র দ্বন্দ্বে বিরোধ চলে আসছিল বেশ কয়েকদিন ধরে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সালিশ-বৈঠকও হয়। কিন্তু পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। এরই জের ধরে সাকেরের পক্ষ নেন যুবদল-ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে যুবদলের কয়েকজন নেতাকর্মী বাহুবল এলাকায় যান। এসময় তাদের সঙ্গে এলাকাবাসী সংঘর্ষে জড়ালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবদল কর্মী বিলাল আহমদ মুন্সী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে যুবদল কর্মী বিলাল আহমদ মুন্সী (৩৫)-এর লাশ নিয়ে সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে শাহপরাণ মাজার গেটে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও যুবদল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় তারা অবিলম্বে বিলালের হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।

পুলিশের আশ্বাসে আধা ঘণ্টা পর সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুব্ধরা।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, নিহতের হাতের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

ময়না তদন্তের পর মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে শাহপরাণ বাজারে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নিহতের লাশ ময়না তদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহজনক ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত হচ্ছে।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট