৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:৩৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ৫, ২০১৭
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ৯০ পরবর্তী দেশের কোনো সঙ্কটেই এক টেবিলে বসতে দেখা যায়নি। তবে খালেদা জিয়ার প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর বিয়ের অনুষ্ঠানে এই দুই নেত্রীর দেখা হয়েছিল।
এরপর স্বৈরাচার বিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন সেনা শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর দুই নেত্রী এক সোফায় বসেছিলেন। যেখানে তাদেরকে বেশ হাস্যোজ্জ্বলভাবে কথা বলতে দেখা যায়। ঘটনাটি তখন বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে।
এরপর বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে কোকোর মৃত্যুতে ফের তাদের দুজনের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফিকে যায়।
এরপর খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে কোকোর মৃত্যুতে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রী গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে যান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাড়ি থেকে নেমে কার্যালয়ের সামনে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে ফিরে যান।
পরে এ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে চলে পাল্টাপাল্টি বাকযুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী এলেও দরজা না খোলা রাজনৈতিক শিষ্টাচার নয় বলে মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। তিনি ওই সময় বলেন, এখানে কোনো রাজনীতি ছিল না। বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ মানবিক।
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে সামনে কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলেও বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো নেতা অভ্যর্থনাও জানাননি বলে দাবি করেছিলেন ইকবাল সোবহান।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট সামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ওই রাতেই গণমাধ্যমে বলেছিলেন, খালেদা জিয়ার এই শোককে নিয়ে যেন কোনো নোংরা রাজনীতি না হয়, সে জন্য আমরা সকলের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।
এছাড়া এ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই চলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে পাল্টাপাল্টি বাকযুদ্ধ। বিএনপির নেতারা দাবি করেন, এটা ছিল প্রধানমন্ত্রীর এক ধরনের রাজনীতি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতারা দাবি করেন, খালেদা জিয়া রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভুত কাজ করেছেন।
অবশ্য এর আগে ১৯৯৭ সালে তৎকালীন বিরোধী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোটো ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর বিয়ের শুভ মুহূর্তে খালেদার বাসায় গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে তাদেরকে কথা বলতে দেখা যায়।
তবে ৯০ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুতে ও সেনাকুঞ্জে এই দুই নেত্রীর দেখা হলেও কোনো কথা হয়নি। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন সেনা শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর দুই নেত্রী এক সোফায় বসেছিলেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D