ওসমানী হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু

প্রকাশিত: ৪:০০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৭, ২০২৩

ওসমানী হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু

টানা অতিভারী বৃষ্টির ফলে ভোররাত থেকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীসহ তাদের আত্মীয় স্বজনদের।হাসপাতালের নিচতলার সবকটি কক্ষে পানি প্রবেশ করার ফলে হাসপাতালে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। বিকাল তিনটার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুল রহমান ভুঁইয়া।

শনিবার দুপুরে ওসমানী হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের নিচতলাসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার আবাসিক ভবনের বাসা-বাড়িতে পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জেনারেটর রুমে পানি ওঠে। চিকিৎসা যন্ত্রাংশ যেগুলো বহনযোগ্য সেগুলো নিচতলা থেকে উপরে তোলা হয়েছে।চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও আত্মীয় স্বজনদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।বিভিন্ন কক্ষে পানি প্রবেশ করার ফলে অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে।তবে কী পরিমাণ যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে তা সঠিক ভাবে বলতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।

ওসমানী মেডিকেল কলেজের সূত্রে জানা যায়, ওসমানী মেডিকেল কলেজের উত্তরপাশ ঘেঁষে প্রবাহিত ছড়ার আশ-পাশে বিভিন্ন ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়েছে। এ কারণে ছড়া দিয়ে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক বাসিন্দা পানির প্রবাহ ওসমানী মেডিকেলের একমাত্র ড্রেনের সাথে সংযুক্ত করেছেন। ফলে ড্রেন উপচে বৃষ্টির পানি ওসমানী হাসপাতালসহ অন্যান্য এলাকায় প্রবেশ করছে। পাশাপাশি পশ্চিম পার্শ্বের বাগবাড়ী, বর্ণমালা পয়েন্ট সংলগ্ন নিচু এলাকাসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় পানি প্রবেশ করে মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে।

এব্যাপারে ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, ভোর থেকে হাসপাতালের নিচ তলায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করে।বৃষ্টি হলে হাসপাতালে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আমরা কিছু কিছু যন্ত্রাংশ নিচ তলা থেকে সরিয়ে নিয়েছি।তবে হাসপাতালে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জেনারেটর রুমে পানি বেশি ওঠেছে। তাই জেনারেটর উঁচুতে স্থাপন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির পানি প্রবেশ করার কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও তিনটার দিকে তা পুনরায় চালু করা হয়েছে।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট