৯ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:৫৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২৩
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ শহীদুল ইসলাম- এর
জীবন বৃত্তান্ত
আমি শেখ শহীদুল ইসলাম, সিলেট জেলার অন্তর্গত বিশ্বনাথ উপজেলার ৭ নং দেওকলস ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। মৌজপুর গ্রামেও আমার আরেকটি বাড়ি রয়েছে। আমার পরিবার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। আমার চাচা আব্দুল মনাফ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আমার পিতা: মরহুম শেখ মো: আব্দুস সত্তার। মাতা: মরহুম মোছাম্মৎ তুফাতুন্নেছা।
১৯৬৮ সালে ছাত্র রাজনীতি দিয়ে আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু।
১৯৬৮ সাল- ছাত্রলীগে যোগদান
১৯৭১ সাল – মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন।
১৯৭৩ সাল- এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি।
১৯৭৪ সাল- কলেজ ছাত্রসংসদের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক
১৯৭৪ সাল- ইংরেজীতে বৃহত্তর সিলেটের ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য।
১৯৯০ সাল- বিশ্বনাথ উপজেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক।
১৯৯৫ সাল- উপজেলা আওয়মীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
১৯৯৫ সালের পরবর্তী উপজেলা কমিটিতে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য।
১৯৯৮-২০০২ সাল- সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডাইরেক্টর ও সচিব
২০০১- সিলেট-২ আসন থেকে এমপি পদে প্রাথী ছিলাম।
২০০১- সিলেটস্থ বিশ্বনাথ থানা সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
বর্তমানে বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য।
এছাড়াও বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত।
আমার স্বপ্ন ও প্রত্যাশা সবকিছুই আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে ঘিরে। বিগত ১৫ বছর আওয়ামীলীগের অসাধারণ নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন যেন পৃথিবীর সব উন্নয়নকে হার মানিয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথা প্রধানমন্ত্রীকে জানাই অন্তরের অন্তস্থল থেকে শত শত অভিনন্দন। আমার ভাগ্য ভালো এই জন্য যে, আমি আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখছি। যে প্রত্যাশা নিয়ে ৭১-এ আমরা ঝাপিয়ে পড়েছিলাম বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠের আওয়াজের সুরে। আর যে পত্যাশা নিয়ে ৩০ লক্ষ মানুষ প্রাণ দিয়েছে অনেক মা বোন ইজ্জত হারিয়েছে। সেই সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে আজ অবধি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে আসছি।
সাবেক ছাত্রনেতা ও এমপি মরহুম আশরফ আলী ও সাবেক এমপি শাহ আজিজের অনুপ্রেরণায় আমি ১৯৬৮ সালে ছাত্রলীগে যোগদান করি। তখন বিশ্বনাথ উপজেলার রামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হই। ৮ম শ্রেণীর ছাত্র হিসেবে আমি বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিকে মনেপ্রাণে উপলব্ধি করতে থাকি। এক বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আমি ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে বিভিন্ন স্কুলে ছাত্রলীগ কমিটি গঠন করি এবং তাকে সুসংঘটিত করতে আপ্রাণ চেষ্টা করি। এভাবেই শুরু হয় আমার রাজনৈতিক জীবন। যাদের প্রেরণা আর উৎসাহ আমাকে এগিয়ে নিয়েছেন তারা হলেন- দেওয়ান ফরিদ গাজী, আব্দুস সামাদ আজাদ, আমীর হোসেন আমু, আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমদ, মরহুম এডভোকেট লুৎফুর রহমান, মরহুম মাহমুদুস সামাদ কয়েস, এডভোকেট নুরুল ইসলাম খান, এনামুল হক (বীর প্রতীক), এডভোকেট শফিকুর রহমান, নূর হোসেন চঞ্চল, জিয়া উদ্দিন লালা, বাবরুল হোসেন বাবুল, ওহিদুল ইসলাম তোফা, আবু হোসেন চৌধুরী, আশফাক আহমদ, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, শাহাদত রহিম চৌধুরী, বদরুল হোসেন, আহবাব খান, আকমল হোসেন সহ অনেকে। ওরা সবাই তখন ছাত্রনেতা ছিলেন।
১৯৭১ সালে আমার নিজ এলাকায় আপন চাচা মরহুম আব্দুল মনাফ, গৌছ উদ্দিন, শামসুল ইসলাম চান মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, আলকাছ মেম্বার, গয়াছ মিয়া, আব্দুশ শহীদ, খলিলুর রহমান, মইনুর রহমান, ড. উবায়দুর রহমান ও আব্দুর রউফসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে আমি স্বাধীনতার আকাংখা জাগিয়ে তুলতে তরুণদের উৎসাহ দেই। সংঘটিত করি যোদ্ধাদের। চাচা চলে যান যুদ্ধে। আমি ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা দায়িত্ব নেই মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করার। অনেক ত্যাগ আর কষ্টের বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রস্তুত করে যুদ্ধে পাঠাতে থাকি। আমার সিনিয়রদের মধ্যে সিরাজুল ইসলাম (বীর প্রতীক), তৈয়ব আলী, আব্দুন নুর, রঞ্জিত ধর রন, নুরুজ্জামান, আব্দুল কাইয়ুম মল্লিক, সুজ্জাদুর রহমান ও সহপাঠীদের মধ্যে আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল খালিক, আব্দুল মোমিন, লাল মিয়াসহ আরও অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে চলে যান। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশর স্বপ্ন দেখি। কিন্তু কিছু রাজাকার বাহিনী আমার তথা মুক্তিযোদ্ধোদের পরিবার বলে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে অবগত করে আমার বাড়ীঘরে লুটপাট করে আমাকে তথা আমার পরিবারকে ফেরারী বানিয়ে দেয়। কিস্তু আমাকে দমাতে পারেনি। লুকিয়ে আড়ালে আবডালে থেকে লড়াই চালিয়ে যাই। কখনও কখনও যেন মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসি। ধন্যবাদ সৃষ্টিকর্তাকে যেন আজও বেঁচে আছি আর দেখছি স্বপ্ন।
নয় মাস যুদ্ধ চলে। বিজয় হয় আমাদের। বাধ্য হয়ে পাকিস্তানীরা ফিরিয়ে দেয় বাংলার নায়ক বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তার নেতৃত্বে আমি দেশগড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করি। ১৯৭৩ সালে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কলেজ মুরারীচাঁদ মহাবিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পাই। তারপর কলেজ ছাত্রসংসদের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক এবং ১৯৭৪ ইংরেজীতে বৃহত্তর সিলেটের ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করি।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ঘটে যায় জাতির কলঙ্কজনক অধ্যায়। আমি বিমর্ষ, হতবাক হয়ে পড়ি। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা সব যেন আমার কাছে মলিন হয়ে যায়। দেশের গোটা রাজনীতি যেন কালো আধারের অনামিশায় অন্ধকার হয়ে পড়ে। অনেক কষ্টের পর ১৯৭৭ সালে সৌদি আরবে চলে যাই। পরে ১৯৮০ সালে আমি দেশে ফিরে আসি। এসে সিলেট জেলা যুবলীগ সংঘটিত করার কাজে লেগে যাই। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেশ পরিচালনা নীতি বিশেষ করে ইমডেমনিটি বিল সহ রাজাকারদের রাজনীতির সুযোগ দেওয়া-এই সব নীতির বিরুদ্ধে মিছিল মিটিং করি। তাতে প্রশাসনের টার্গেটে পড়ে যাই আমি। একদিকে শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থা খারাপ অন্যদিকে প্রশাসনের কড়া নজর এড়াতে ১৯৮৩ সালে আমি নিজ উপজেলায় চলে যাই। সেখানে গিয়ে আমি যুবলীগ সংঘটিত করার কাজে লেগে যাই। এবং পুরো দায়িত্বটাই আমি পালন করি। ১৯৯০ সালে সাবেক ছাত্রনেতা মরহুম বজলুর রশীদের নির্দেশে আমাকে বিশ্বনাথ উপজেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক করে সাইদুর রহমান সাইদ, নোয়াব আলী, সাজিদ আলী, ফখর উদ্দিনসহ একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে আমি উপজেলা আওয়মীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি এবং আওয়ামীলীগের বিগত দুটি সম্মেলনে কাউন্সিলে আমি উপজেলা সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলাম। কিন্তু নবাগত হাইব্রিড নেতাদের তোপে আমি নির্বাচিত হতে পারি নাই। তবে আমি প্রতিটি উপজেলা কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলাম। পরবর্তীতে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডাইরেক্টর ও সচিব নির্বাচিত হই। সিলেটস্থ বিশ্বনাথ থানা সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি।
২০০১ সালে আমি সিলেট-২ আসনে মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু দ্বিতীয়বারের মতো শাহ আজিজুর রহমানকে নির্বাচনী বোর্ড মনোনীত করে। আমরা ১ম বার উনাকে বিজয়ী করলেও ২য় বার তা সম্ভব হয়নি। আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত একটি পত্রে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, দেশ ও দলের জন্য কারো আত্মত্যাগ ও পরিশ্রম অবদান ব্যর্থ হবেনা। কিন্তু আজও আমি অবহেলিত।
রাজনীতিতে অনেকে তার ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে ব্যবহার করছে। কিন্তু আমি বা আমার মত যারা মনে প্রাণে আওয়ামীলীগ তথা দেশের জন্য ভালো কাজ করে যাচ্ছি- তা তাদের সহ্য হচ্ছে না। তাই তারা বিগত বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিলের পূর্বে ১১/১২/২০১৩ ইংরেজী তারিখে সন্ধ্যা সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্বনাথ থানা সদর থেকে আমার বাসায় যাওয়ার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাস্তায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার উপর হামলা চালায়। তাদের উপর্যূপরি আঘাতে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। পরে ১ মাস সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে আসি। সম্মেলনে আমাকে পিছিয়ে দেয়ার জন্যই এই হামলা করেছিল তারা যাতে আমি সম্মেলনে অংশগ্রহণ বা প্রচার প্রচারনা চালাতে না পারি। আমি তৃনমূল থেকে গড়ে উঠা আওয়ামীলীগ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার আপন বড় ভাই শেখ শমসুল ইসলাম (সমছু মিয়া) তিনিও মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক ছিলেন। আমাদের সিলেট শহরে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে মিরাবাজারস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জোরপূর্বক তারা দখল করে নেয়। এ নিয়ে মামলাও হয়েছে।
বিশ্বনাথে আওয়ামীলীগের বিগত সম্মেলন হওয়ার পরে কন্ঠভোটে বিএনপি থেকে আগত সাধারণ সম্পাদককে আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদককে বহাল ঘোষনা দেয়া হয়। এরপর আরো প্রায় চার বছর পেরিয়ে গেলে জনাব আহমদ হোসেন সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব নেয়ার পর দলীয় মতবিরোধের সমঝোতা করে একটি কমিটি গঠনের জন্য জেলা কমিটিকে নির্দেশ দেন। তাই জেলা কমিটি বিশ্বনাথ উপজেলার একটি নতুন কমিটি গঠন করে দেন। তাতে আমাকে উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য করা হয়। কিন্তু একপক্ষকে প্রাধান্য দিয়ে অন্য পক্ষের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন দল থেকে আগতদেরকে নিয়ে কমিটি গঠন করায় অনেক তৃনমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং বিশ্বনাথ আওয়ামীলীগ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একপক্ষকে সহযোগিতা করছেন জনাব শফিকুর রহমান চৌধুরী এবং অবহেলিত গ্রুপকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। এরকম দলীয় কোন্দল ও বিভক্তির কারণে বিশ্বনাথ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৭টিতেই হেরে যায় আওয়ামীলীগ প্রার্থী। দৌলতপুর, রামপাশা, অলংকারী, বিশ্বনাথ, দেওকলস, দশঘর, লামাকাজী- এই ৭টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ বিরোধী দলের দখলে। শুধুমাত্র খাজাঞ্চী ইউনিয়নের নেতৃত্বে রয়েছে আওয়ামীলীগ। তবে আমি নির্দিষ্ট কোন পক্ষের নই, আমি ত্যাগী এবং যোগ্য আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কাজ করতে চাই।
দেশের বর্তমান রাজনীতিতে আমি আজ অবহেলিত। খুব কষ্ট লাগে যখন দেখি ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে হাই ব্রিড ও বিভিন্ন দল থেকে আগত নব্য নেতাদের মূল্যায়ন করে দলকে কলুষিত করা হচ্ছে। যারা আমাদের ইতিহাসকে বিকৃত করছে। দু:খ আর ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়েও স্বপ্ন দেখছি আওয়ামীলীগ যেন সব সময় এগিয়ে থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারে। সব কালো শক্তিকে পরাজিত করে এগিয়ে যায় দুর্বার গতিতে। জীবনের প্রবীন সময়ে এসে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য আরও ভালো কিছু করার সুযোগ পেলে ধন্য হবে আমার জীবন। এই অপেক্ষায় আছি।
বিনীত
শেখ শহীদুল ইসলাম
মোবা: ০১৭৫৯৮৬৭১৬০, ০১৭৫০৩২৬২৯৪, ০১৯৪৩৭৭২৭৩৯

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D