সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানী বেড়ে ১৪৫

প্রকাশিত: ৩:০৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২৬

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানী বেড়ে ১৪৫

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও সন্দেহজনক হাম মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে। একই সময়ে নতুন করে ১০ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।

মারা যাওয়া শিশুটির নাম সাইদুর ইসলাম। তার বয়স ১০ মাস। সে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। শিশুটির বাবার নাম সালেক আহমেদ, বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫ জনে। এর মধ্যে সিলেটে ৩৫৭, হবিগঞ্জে ১৫৩, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। হবিগঞ্জের আক্রান্তদের মধ্যে দুজন রুবেলা রোগী।

গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে নতুন করে ৭১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২০ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৩ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চারজন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চারজন ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে ২৯৩ জন ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১১৭ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৬ জন চিকিৎসাধীন।

এছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে চারজন, বিয়ানীবাজার ও জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন করে, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩১ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নয়জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৭ জন ভর্তি রয়েছেন।

জেলাভিত্তিক মৃত্যুর হিসাবেও পরিস্থিতির ভয়াবহতা উঠে এসেছে। এ পর্যন্ত সিলেটে সন্দেহজনক হাম রোগে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যু চারজনের।

হবিগঞ্জে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৫ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে চারজন, মৌলভীবাজারে যথাক্রমে ১২ ও একজন এবং সুনামগঞ্জে ৫৬ ও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু ১৩৫ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যু ১০ জন, অর্থাৎ মোট মৃত্যু ১৪৫ জন।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট