সিলেটে যুবক উদ্ধার, অপহরণ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত: ৭:৩৩ অপরাহ্ণ, জুন ২, ২০২৬

সিলেটে যুবক উদ্ধার, অপহরণ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

সিলেটে ‘মধুফাঁদে’ (হানিট্র্যাপ) পা দিয়ে অপহরণ ও মারধরের শিকার হয়েছেন জিল্লুর রহমান (২৭) নামে এক যুবক। পরে তাকে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় সোমবার (১ জুন) অভিযান চালিয়ে চক্রের ২ নারী ও ৩ পুরুষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. মনজুরুল আলম জানান- জিল্লুর রহমানের সঙ্গে কিছুদিন আগে অভিযুক্ত মীম আক্তার নাহিদা নামে নারীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ চলতে থাকে।

এরই সুবাধে মীম আক্তার সোমবার জিল্লুর রহমানকে দেখা করার জন্য ডেকে নেয়। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে জিল্লুর নগরীর ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডস্থ বড়বাজার গলির মুখে পৌঁছালে মীম আক্তার ও তার সঙ্গে থাকা মিল্লাত, এমরান খান ও স্বপন আহমেদ তাকে ঝাপটে ধরে মারধর করে এবং জোরপূর্বক অপহরণ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে কুনিপাড়া এলাকায় নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে গিয়ে জিল্লুরকে একটি বসতঘরে আটক করে রাখা হয়। সেখানে অবস্থান করা শিল্পি বেগমসহ আরও কয়েকজন তাকে বেধড়ক মারধর করে পকেটে থাকা ৮ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। এছাড়া অভিযুক্তরা জিল্লুরের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

এসময় তাদের মারধরে জিল্লুর চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে জরুরি সেবা নাম্বার ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে এয়ারপোর্ট থানার একদল পুলিশ কুনিপাড়ায় গিয়ে জিল্লুর রহমানকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের আটক করে।

আটকরা হলেন- কুনিপাড়ার এমরান খানের স্ত্রী মীম আক্তার নাহিদা (২২), একই পাড়ার নাসির মিয়ার ছেলে মিল্লাত (২০), মিল্লাতের মা শিল্পি বেগম (৪০), শাহপরাণ থানাধীন কল্পগ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে এমরান খান (২৪) ও একই থানার সুরমা গেইট এলাকার বিলাল মিয়ার ছেলে স্বপন আহমেদ (২৩)।

পরে তাদের বিরুদ্ধে জিল্লুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে সে মামলায় এ ৫ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে বিজ্ঞ বিচারকের নির্দেশে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।