২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:১৯ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০২৬
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ‘মাসুক মিয়া’কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাসুক মিয়া (২২) হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার তারাসই এলাকার জামাল মিয়ার ছেলে।
ঘটনার বিবরনে র্যাব জানায়, ভিকটিম হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানাধীন তারাসই এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিমের পিতা মৃত্যুবরণ করলে তার মাতা একই গ্রামের মো. নিল মিয়াকে বিয়ে করেন এবং ভিকটিমকে দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ভিকটিমের মাতার দ্বিতীয় স্বামীর বোন বিবাদী কুলসুমা বেগম তাদের বাড়িতে কাজ করার জন্য ভিকটিমকে নিয়ে যান। বিবাদী কুলসুমা বেগমের বাড়িতে কাজ করার সময় তার ছেলে বিবাদী মাসুক মিয়া ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। ভিকটিম উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিষয়টি তার পিতা-মাতাকে জানায়। পরে ভিকটিমের পিতা-মাতা বিষয়টি বিবাদী মাসুক মিয়ার পিতা-মাতাকে অবহিত করলে তারা ভিকটিমের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
এরই জের ধরে গত ১৪ এপ্রিল আনুমানিক রাত ৯টার সময় বিবাদী মাসুক মিয়া তাদের বসতঘরের একটি কক্ষে ভিকটিমকে নিয়ে দরজা-জানালা বন্ধ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরদিন ভিকটিম ঘটনাটি তার চাচাকে জানায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের চাচা বাদী হয়ে বানিয়াচং থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০১, তারিখ-০১/০৫/২০২৬ খ্রি., নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২৫)-এর ৯(১)/৩০ ধারার মূলে দায়েরকৃত বানিয়াচংয়ের কিশোরী ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় ১নং পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D