সিলেটে অপহরণের ১০দিন পর কলেজছাত্রী উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৫:৪৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০২৬

সিলেটে অপহরণের ১০দিন পর কলেজছাত্রী উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার

সিলেটে মুক্তিপণের দাবিতে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতার দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। অভিযানের সময় অপহৃত কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাত পৌণে ৮টার দিকে সিলেট নগরীর সোবহানিঘাট এলাকায় র‌্যাব-৯ সদর কোম্পানির একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

র‌্যাব জানায়, ভিকটিম সিলেট জেলার জালালাবাদ থানাধীন শাহখুরুম ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী। গত ১৪ জানুয়ারি সকালে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পান। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সংস্থাটির দাবি, ওই দিন বিকেলে ভিকটিমের মোবাইল নম্বর থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ভিকটিমের পিতার নম্বরে ফোন করে জানায়, তার মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। এ সময় তারা দুই ঘণ্টার মধ্যে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে ভিকটিমের পিতা জালালাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে কলেজছাত্রীকে অপহরণ করেছে।

মামলার পর র‌্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯ সদর কোম্পানির একটি দল শুক্রবার সিলেট নগরীর সোবহানিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে জালালাবাদ থানার মামলা নম্বর ০৯ (তারিখ ২১ জানুয়ারি), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারনামীয় পলাতক প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে। একই সময় অপহৃত কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত সাব্বির (৩০) দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট থানার ছোট খোদাতপুর গ্রামের মো. আব্দুর রহিমের ছেলে।

র‌্যাব আরও জানায়, উদ্ধারকৃত কলেজছাত্রীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট