চাঁদাবাজি মামলায় সিলেট মহানগর ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ১০:২৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫

চাঁদাবাজি মামলায় সিলেট মহানগর ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

সিলেট মহানগর ছাত্রদলের এক নেতাকে চাঁদাবাজি ও হুমকি-ধমকির মামলায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ছাত্রদল নেতা ফাহিম আহমদ সিলেট মহানগর ছাত্রদলের ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। তিনি নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার এস এম হানিফের ছেলে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে শামীমাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি জানান, ২০২৩ সালে দায়েরকৃত একটি মামলায় ফাহিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। সেই ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফাহিমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির পাশাপাশি শামীমাবাদ এলাকায় এক প্রবাসীর বাসা দখলের অভিযোগও রয়েছে।
জানা গেছে, নগরীর শামীমাবাদ এলাকার ৫নং রোডের ৪ তলা বিশিষ্ট ২০৫ নম্বর বাড়িটির মালিক ছিলেন সুহেল বেগমসহ যুক্তরাজ্য প্রবাসী ৫ ভাই। ২০১৮ সাল থেকে বাড়িটি অবৈধভাবে দখল করে রাখেন মহানগর ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম তুষারের নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা। তারা বাসার মালিক প্রবাসীকে বের করে দিয়ে চারতলা বিশিষ্ট বাসাটি দখলে নিয়ে নিজেরা ভাড়াটিয়া ঢুকিয়ে দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগের পতনের পর বাসাটির দখল নেন মহানগর ছাত্রদলের সহ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এস এম ফাহিম ও তার সহযোগীরা। গত বছরের নভেম্বর থেকে তারা ওই বাড়ির ভাড়াটিয়াদের থেকে ভাড়া তুলতে শুরু করেন।
বাসার মালিক সুহেল বেগম জানান, ২০২৪ এর ৫ আগেস্টর পটপরির্বতনের পর ছাত্রদল নেতা এস এম ফাহিম ও তাঁর লোকজন বাসাটি জোরপূর্বক দখল করে বসবাস করছিলেন। তিনি দেশে ফেরার পর বাসাটি উদ্ধারের চেষ্টা করেন। গত ২ জুন তিনি ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ভূমি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। থানা থেকে উভয়পক্ষকে বাড়ির কাগজপত্র নিয়ে থানায় হাজির হতে বলা হলেও ফাহিমের পক্ষের কেউ থানায় যায়নি। পরে পুলিশের সহায়তায় তিনি বাসায় গিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে বসবাসকারীদের সরে যেতে বলেন। সর্বশেষ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে গত ২৮ জুন এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে বাড়ির দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট