সিলেটে লন্ডনী নারীর কাবিন জালিয়াতি মামলায় স্বামী-দেবর গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৬:৫৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১০, ২০২৫

সিলেটে লন্ডনী নারীর কাবিন জালিয়াতি মামলায় স্বামী-দেবর গ্রেপ্তার

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলার ২ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকাল নয়টার দিকে ওসমানী বিমানবন্দর থেকে লন্ডন যাওয়ার পথে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার তকবাজখানি গ্রামের আব্দুশ শহীদ খানের পুত্র মোঃ আব্দুল গফফার খান লিটন (৫০) ও তার ছোট ভাই মিলন খান(৪৫)। তাদের বিরুদ্ধে এসএমপির শাহপরাণ থানায় কাবিন জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলা রয়েছে।

পুলিশ ও আদালত সুত্রে জানা যায়, আব্দুল গফফার খান লিটনের সাথে মামলার বাদী সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বড়ফেচী গ্রামের মৃত হুছমত মিয়ার ছেলে ও বর্তমানে সিলেট নগরের শাহপরান থানাধীন দক্ষিণ বালুচর এলাকার বাসিন্দা ওয়ারিছ মিয়ার বোনের বিয়ে হয়েছিলো ২০১১ সালে। বিয়ের পর বাদীর বোন আব্দুল গফফার খান লিটনকে লন্ডনে নিয়ে যান। লন্ডন যাওয়ার পর তার আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে আসে। কিছুদিন ভালো ভাবে সংসার চললেও দুই সন্তান হওয়ার পর শয়তানী প্ররোচনায় লিটন বাদীর বোনকে ফুসলিয়ে টাকা-পয়সা নিয়ে নেয়। এরপর বছরখানেক আগে দেশে এসে আরেকটি বিয়ের পায়তারা করে। তার বোন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে বিয়ে করতে বাধা দেয়। এনিয়ে সংসারে অশান্তির সৃষ্টি হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে মুরব্বিয়ানদের নিয়ে একাধিক বৈঠক বসলেও তার কোন সুরাহা হয়নি। উল্টো কাবিনের টাকা না দেয়ার জন্য কাবিন জালিয়াতির আশ্রয় নেয় লিটন।

এ বিষয়ে গত পয়লা জানুয়ারি তারিখে এসএমপির শাহপরাণ থানায় একটি জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ওয়ারিছ মিয়া। এ মামলা থেকে বাঁচতে শুক্রবার লুকিয়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন মোঃ আব্দুল গফফার খান লিটন (৫০) ও তার ছোট ভাই মিলন খান (৪৫)।

শাহপরাণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনির হোসেন মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট