২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:৪৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০২৪
সিলেটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা সোমবার (১১ নভেম্বর) সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত মুহিবুর রহমান নগরীর পাঠানটুলা দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং জকিগঞ্জ উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, ওই শিক্ষক মুহ্বিুর রহমান একটি কোচিং সেন্টারে নিয়মিত প্রাইভেট পড়ান। গত বুধবার (৬ নভেম্বর) ওই ছাত্রী শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। এ সময় শিক্ষক মুহিবুর ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় শিক্ষক মুহিবুর রহমানকে আসামি করে সোমবার এই মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের মা।
অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে তার মেয়েকে একটি মোবাইল নাম্বার দেয় এবং বলে যে বাসায় পৌছে ফোন দিতে। তখন তার মেয়ে রাত সাড়ে ৮টায় ভাইয়ের ফোন নাম্বার থেকে অভিযুক্ত মুহিবুর রহমানকে ওয়াটসআপে ফোন দিলে অশালীন কথাবার্তা বলে পরদিন কোচিংয়ে যেতে বলে। ওই শিক্ষকের কথামতো স্কুল থাকায় পরদিন বুধবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৮টা ৫০মিনিটের দিকে কোচিং সেন্টারে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিসহ পাঁচ ছাত্রকে পড়াতে দেখে তার মেয়ে কোচিংয়ের পড়া অবস্থায় তিনজন ছাত্র চলে যায় অন্য দুই ছাত্র পড়তে থাকে। কিন্তু বিবাদী তার মেয়ের পড়া অবস্থায় সকাল সাড়ে ৯টায় ইশারা দিয়ে কােচিং রুমের বাইরে খোলা ছাদের উপর ডেকে নেয়। পরে ছাদের উপর থেকে নিচতলায় তার বাসায় নিয়ে যায়। বাসায় নিয়ে জোরপূর্বক সোফায় বসতে বলে। তখন বিবাদী তার মেয়ের সম্ভ্রম হানির চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি করে ব্যর্থ হয়ে কাউকে না জানানোর অনুরোধ করে। তখন সে স্কুলের দেরি হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে শটকে পড়ে এবং স্কুলে গিয়ে বান্ধবীদের বিষয়টি জানায়। তখন তার বান্ধবীরা ঘটনা শুনে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানাতে বলে। প্রধান শিক্ষক তার কথা শুনে একটি লিখিত অভিযোগ রাখেন। পরবর্তিতে তার মেয়ে বাসায় এসে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। বাদি সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি ঢাকায় অবস্থানরত তার স্বামীকে জানায়। ভিকটিমের বাবা জানতে পেরে দ্রুত ঢাকা থেকে এসে মেয়েকে নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত মুহিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D