২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬:০১ অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০২৪
আকস্মিক বন্যায় সিলেট-তামাবিল-জাফলং মহাসড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। গত সোমবার থেকে অবিরাম ঝড়বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট জকিগঞ্জ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকাল থেকে জৈন্তাপুর উপজেলার বাংলা বাজার, রংপানি ও বিরাইমারা এলকায় সিলেট- তামাবিল মহাসড়কের উপর দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন এই চার উপজেলায়।
আকস্মিক বন্যায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ টিম, ফায়ারসার্ভিস, আনসার বিডিপি এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি। ছাড়াও বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন, সামাজিক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকালে পানি বন্দী এলাকাগুলো পরিদর্শনে করছেন সিলেট জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজা আক্তার সিমুল। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে সালিক রুমাইয়া সহকারী কমিশনার ভুমি ফাতেমা তুজ জোহরা সানিয়া, মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলাম পিপিএম।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে সারি নদী ও জাফলং পিয়াইন নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট, জৈন্তাপুর, দরবস্ত ও চারিকাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।
উপজেলায় নিজপাট লামাপড়া, বন্দরহাটি, ময়নাহাটি, জাঙ্গালহাটি, বড়খেলা, মেঘলী, তিলকৈপাড়া, ফুলবাড়ী, নয়াবাড়ী, হর্নি, বাইরাখেল, গোয়াবাড়ী, ডিবির হাওর, ঘিলাতৈল, মুক্তাপুর, বিরাইমারা হাওর, খারুবিল, লমানীগ্রাম, কাটাখাল, বাউরভাগ ও বাওন হাওরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এই উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে ৪৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে কন্ট্রোল রুম চালু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে শালিক রুমাইয়া জানান, সেনাবাহিনী বিজিবি ফায়ারসার্ভিস, পুলিশ উদ্ধার কাজ করছে, আমি সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের চারিকাটা, নিজপাট ও জৈন্তাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ প্রস্তুত রেখেছি। পাশাপাশি উপজেলার সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্টান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমাদের এই সংকটময় সময়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় এই পরিস্থিতি মোকেবেলা করতে হবে।
জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী জানান, উপজেলার টিলা এলাকা ছাড়া বাকি সব এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও মানুষের বাড়ির ছাউনি পর্যন্ত পানিতে ডুবে গেছে। এতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বুধবার রাতে অন্ধকার ও প্রবল স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযানে সমস্যা হচ্ছিল। বৃহস্পতিার ভোর থেকে ব্যাপকভাবে উদ্ধার কাজ চলছে। মানুষ উদ্ধার করা গেলেও গৃহপালিত পশুপাখির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘চাল বরাদ্দ থাকলেও রান্না করে খাওয়ার মতো শুকনো জায়গা নেই। আমরা বন্যা-কবলিত মানুষের জন্য আপাতত শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করছি।’
বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫টি উপজেলায় ২০০ বস্তা করে ১ হাজার বস্তা শুকনো খাবার, ১৫ মেট্রিক টন করে ৭৫ মেট্রিক টন চাল, প্রত্যেক উপজেলায় ৫০ হাজার টাকা করে আড়াই লাখ টাকার ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।
জানা যায়, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জ উপজেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। পানিতে ডুবে গেছে মহাসড়কও এতে করে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় পরিবার পরিজন, গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন উপজেলাগুলোর কয়েক লক্ষ মানুষ। ইতোমধ্যেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। বন্যা কবলিত মানুষ নানা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন।
এদিকে, ধারাবাহিক বৃষ্টিপাতের কারণে সিলেটে সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি তিনটি পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলের কারণে কোম্পানীগঞ্জের ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ও পর্যটন কেন্দ্র পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্রসহ সকল পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনজিত কুমার চন্দ্র।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট কার্যালয়ের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকাল ৯য়টা পর্যন্ত সিলেটের কানাইঘাট সুরমা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জকিগঞ্জ উপজেলার অমলসিদে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ২.০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলায় কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ০ দশমিক ০৫ সেন্টিমিটার, জৈন্তাপুর উপজেলায় সারি নদীর পানি বিপৎসীমার ০ দশমিক ৯৫ সেন্টিমিটার ও গোয়াইনঘাটে সারি নদীর পানি বিপৎসীমার ০ দশমিক ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়ন, লেঙ্গুড়া, ডৌবাড়ি, নন্দীরগাঁও, পূর্ব ও পশ্চিম আলীরগাও, পশ্চিম জাফলং, মধ্য জাফলংয়ে প্লাবনের পরিমাণ বেশি হয়েছে। এই উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে মোট ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রয়েছে। অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও প্লাবন প্রবণ এলাকার জনগণকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। বুধবার সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক তলিয়ে যাওয়ার কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
নতুন করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জকিগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়ন বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বারহাল, সদর, খলাছড়া, কছকনাপুর ও কাজলশাহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম বন্যার প্লাবিত হয়েছে। জকিগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজিব হোসেন বলেন, আগামী তিন দিন সিলেটে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান বলেন, পাহাড়ি ঢল ও অতি বৃষ্টির কারণে সিলেটের গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিচ্ছে। বন্যাদুর্গত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছি। তাছাড়া তাদের খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজন হলে তারা কাজ শুরু করবে।
এদিকে ভারতের বরাক নদী দিয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে জকিগঞ্জের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর কয়েকটি স্থানে ডাইক ভেঙে অন্ততপক্ষে অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসন সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বন্যার্তদের সহযোগিতায় একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে বলেও জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুধবার রাতে সুরমা নদীর ডাইক ভেঙে জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউপির নিজগ্রামে, কাজলসার ইউপির আটগ্রাম নালুহাটি গ্রামে ও কুশিয়ারা নদীর বিভিন্ন এলাকার ডাইক ভেঙে জকিগঞ্জ সদর ইউপির ছবড়িয়া, বাখরশাল, রারাই, খলাছড়া ইউপির ভূইয়ারমোড়া, বিরশ্রী ইউপির মাঝরগ্রামসহ আরও কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকতে শুরু করে। তাছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ডাইক উপচে নদীর পানি গ্রামে ঢুকার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার গভীর রাতে আকস্মিক বন্যায় জকিগঞ্জ উপজেলার লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটেছেন। বসতঘরে পানি ঢুকে যাওয়ায় গৃহপালিত পশু নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন। আবার কেউ কেউ পানিবন্দি অবস্থায় বাড়িতেই অবস্থান করছেন। এর মধ্যে বৃদ্ধ ও শিশুদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন বন্যাকবলিত এলাকাগুলোর মানুষ।
বন্যা কবলিত এলাকার লোকজনের অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের গাফলতির কারণে ডাইক ভেঙে গ্রামে পানি ঢুকেছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে ডাইকের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে মেরামত করা হলে বন্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতো।
জকিগঞ্জ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফসানা তাসনিম জানান, ইতোমধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে প্রধান করে উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৫৫ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ২২ টি পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।
তিনি বলেন, বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের জন্য চাল ও শুকনো খাবার প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সেগুলো বন্টনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বন্যা পরিস্থিতি কিংবা যে কোনো সহায়তার জন্য উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বন্যায় উপজেলার ৭৫ ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়ে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। জাফলং-বিছনাকান্দিসহ সব পর্যটন এলাকার পর্যটকবাহী নৌকা নিয়ে উদ্ধার অভিযান চলছে।’
তিনি বলেন, ‘বন্যার পূর্বাভাস থাকায় আমরা আগেই ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করে রেখেছিলাম। কাল রাতেই ১৬৭টি পরিবার আশ্রয় নেয়, সকাল থেকে যা ২৫০ ছাড়িয়েছে। অনেক মানুষ নিজের বাড়িঘর ছেড়ে পার্শ্ববর্তী উঁচু বাড়িঘরে আশ্রয় নিয়েছেন।’
ইউএনও আরও জানান, বন্যা-কবলিত মানুষের জন্য আগের বরাদ্দ ৪৮ টন চালের সঙ্গে নতুন ১৫ টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ ছাড়াও, ২০০ প্যাকেট শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বন্যা কবলিতদের ত্রাণ বিতরণ করা হবে।
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসাইন বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি খারাপ। স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রয়োজনে তারাও উদ্ধার অভিযানে যোগ দেবে।’
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে জেলা ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠক হয়েছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল-রুম খোলা হয়েছে। বন্যা-কবলিত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবার কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে।’

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D