ভারতের জন্য চারটি ট্রানজিট রুটের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ৪:৫৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৬, ২০২৩

ভারতের জন্য চারটি ট্রানজিট রুটের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ

চেয়েছেন ভারতের ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কানেক্টিভিটি বাড়াতে বড় অংকের অর্থ বিনিয়োগও করা হয়েছে।

আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের বন্দর দুটি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ববহ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ভাষ্যমতে, এই মুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির বড় একটি অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি।

এদিকে উচ্চাভিলাষী বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) আওতায় বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক কানেক্টিভিটিতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে চীন। অন্যদিকে ২০১৪ সাল থেকে ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ (পূর্বদিকে সক্রিয়তা বাড়ানো) নীতিমালার আওতায় নিজ সীমান্তের পূর্বদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সংযোগ শক্তিশালী করায় বাড়তি মনোযোগ দিচ্ছে ভারত। এজন্য প্রধানত উত্তর-পূর্ব ভারতকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক ও উপআঞ্চলিক কানেক্টিভিটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। যদিও এক্ষেত্রে বড় সমস্যা হলো দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর কোনোটিই সমুদ্রতীরবর্তী নয়। বাংলাদেশের দুই বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেশটির এ সমস্যাকে অনেকটাই নিরসন করে দিয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক ও ভূরাজনৈতিক—দুই দিক থেকেই উপযোগিতা বেড়েছে মোংলা বন্দরের। ভারত ও চীন—উভয় দেশকেই এখন বন্দরটি নিয়ে আগ্রহী হয়ে উঠতে দেখা যাচ্ছে। দুই দেশই মোংলা বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে। এরই মধ্যে ভারতের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। আনুষ্ঠানিক চুক্তি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে চীনের সঙ্গেও। চট্টগ্রামের মতো মোংলাও আঞ্চলিক ও উপআঞ্চলিক কানেক্টিভিটিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে বিভিন্ন সময়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভূ-অর্থনীতির বিশেষজ্ঞরা।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট