সিসিক নির্বাচনে ভোটগ্রহন শুরু, সকালেই কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড়

প্রকাশিত: ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ২১, ২০২৩

সিসিক নির্বাচনে ভোটগ্রহন শুরু, সকালেই কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড়

প্রথমবারের মতো সব কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

বুধবার (২১ জুন) সকাল ৮ টা থেকে নগরের ৪২টি ওয়ার্ডের ১৯০টি কেন্দ্রের ৩৬৪ টি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।

যদিও বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে সকাল ৮টার আগেই ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নগরের ৪২ নং ওয়ার্ডের আল-জামেয়া আইডিয়াল একাডেমি কেন্দ্রে ৮টা বাজার আগে কেন্দ্রে আসা শাহ তোরণ মিয়া (৬৫) বলেন, ‌সিটি করপোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডে প্রথম ভোট দিয়েছেন। নিজ ম‌নের ইচ্ছেতে ভোট দি‌তে আসছি, এটা তো নাগরিক অধিকার। অনেক আশা নিয়ে ভোট দিয়েছি। যারা নির্বাচিত হবেন। তারা যেন আমাদের জন্য কাজ করেন।

আল-জামেয়া আইডিয়াল একাডেমি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা চৌধুরী নিশাতুর রহমান কোরেশী সকাল সাড়ে ৮ টায় বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। কোনো ধরনের ঝামেলা নেই। সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়াতে ভোট উৎসব মুখর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে ভোটকেন্দ্রে ও নগরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে ১ জন পুলিশ পরিদর্শক, ১ জন উপ পুলিশ পরিদর্শক ও ৫ জন পুলিশ সদস্য এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১ জন পুলিশ পরিদর্শক, ১ জন উপ পুলিশ পরিদর্শক ও ৪ জন পুলিশ সদস্য এবং ৭ জন নারী ও ৭ জন পুরুষসহ মোট ১৪ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচন উপলক্ষে প্রতি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে পুলিশের ৪২ টি মোবাইল টিম, প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে ১৪ টি ট্রাইকিং টিম এবং প্রতি থানায় একটি করে ৬ টি রিজার্ভ স্ট্রাইকিং টিম থাকছে। পাশাপাশি থাকছে ২ টি ওয়ার্ডে ১ টি করে র‍্যাবের ২২ টি ও ৫ টি ওয়ার্ডে এক প্লাটুন করে মোট ১০ প্লাটুন বিজিবির টহল টিম।

এছাড়াও র‌্যাব-পুলিশের গোয়েন্দা টিমের সদস্যরা নগরজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে। যেখানে টহলের পাশাপাশি নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে চেকপোস্টও বসিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এবারের সিসিক নির্বাচনে বর্ধিত এলাকাসহ এবার মোট ৪২টি ওয়ার্ড নিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ভোটার সংখ্যা হলেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬৩ জন ও ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৪ জন হলেন নারী ভোটার।

নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জাকের পার্টি- এই তিনটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীসহ মোট ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। তবে বরিশাল সিটি নির্বাচনের দিন ভোট থেকে সরে দাঁড়ান ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী হাফিজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান। নির্বাচনের শুরু থেকেই বিএনপিসহ তাদের মিত্ররা ভোট বর্জন করেছেন।

প্রথমবারের মতো সব কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জুন) সকাল ৮ টা থেকে নগরের ৪২টি ওয়ার্ডের ১৯০টি কেন্দ্রের ৩৬৪ টি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।

যদিও বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে সকাল ৮টার আগেই ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নগরের ৪২ নং ওয়ার্ডের আল-জামেয়া আইডিয়াল একাডেমি কেন্দ্রে ৮টা বাজার আগে কেন্দ্রে আসা শাহ তোরণ মিয়া (৬৫) বলেন, ‌সিটি করপোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডে প্রথম ভোট দিয়েছেন। নিজ ম‌নের ইচ্ছেতে ভোট দি‌তে আসছি, এটা তো নাগরিক অধিকার। অনেক আশা নিয়ে ভোট দিয়েছি। যারা নির্বাচিত হবেন। তারা যেন আমাদের জন্য কাজ করেন।

আল-জামেয়া আইডিয়াল একাডেমি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা চৌধুরী নিশাতুর রহমান কোরেশী সাড়ে ৮ টায় বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। কোনো ধরনের ঝামেলা নেই। সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়াতে ভোট উৎসব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে ভোটকেন্দ্রে ও নগরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১ জন পুলিশ পরিদর্শক, ১ জন উপ পুলিশ পরিদর্শক ও ৫ জন পুলিশ সদস্য এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১ জন পুলিশ পরিদর্শক, ১ জন উপ পুলিশ পরিদর্শক ও ৪ জন পুলিশ সদস্য এবং ৭ জন নারী ও ৭ জন পুরুষসহ মোট ১৪ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচন উপলক্ষে প্রতি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে পুলিশের ৪২ টি মোবাইল টিম, প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে ১৪ টি ট্রাইকিং টিম এবং প্রতি থানায় একটি করে ৬ টি রিজার্ভ স্ট্রাইকিং টিম থাকছে। পাশাপাশি থাকছে ২ টি ওয়ার্ডে ১ টি করে র‍্যাবের ২২ টি ও ৫ টি ওয়ার্ডে এক প্লাটুন করে মোট ১০ প্লাটুন বিজিবির টহল টিম।

এছাড়াও র‌্যাব-পুলিশের গোয়েন্দা টিমের সদস্যরা নগরজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে। যেখানে টহলের পাশাপাশি নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে চেকপোস্টও বসিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) সুদীপ দাস বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের স্বার্থে সব ভোটকেন্দ্রেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছেন।

এবারের সিসিক নির্বাচনে বর্ধিত এলাকাসহ এবার মোট ৪২টি ওয়ার্ড নিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ভোটার সংখ্যা হলেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬৩ জন ও ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৪ জন হলেন নারী ভোটার।

নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জাকের পার্টি- এই তিনটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীসহ মোট ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। তবে বরিশাল সিটি নির্বাচনের দিন ভোট থেকে সরে দাঁড়ান ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী হাফিজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান। নির্বাচনের শুরু থেকেই বিএনপিসহ তাদের মিত্ররা ভোট বর্জন করেছেন।

সকালেই কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড়সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনসকালেই কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড়
প্রথমবারের মতো সব কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জুন) সকাল ৮ টা থেকে নগরের ৪২টি ওয়ার্ডের ১৯০টি কেন্দ্রের ৩৬৪ টি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।

যদিও বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে সকাল ৮টার আগেই ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নগরের ৪২ নং ওয়ার্ডের আল-জামেয়া আইডিয়াল একাডেমি কেন্দ্রে ৮টা বাজার আগে কেন্দ্রে আসা শাহ তোরণ মিয়া (৬৫) বলেন, ‌সিটি করপোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডে প্রথম ভোট দিয়েছেন। নিজ ম‌নের ইচ্ছেতে ভোট দি‌তে আসছি, এটা তো নাগরিক অধিকার। অনেক আশা নিয়ে ভোট দিয়েছি। যারা নির্বাচিত হবেন। তারা যেন আমাদের জন্য কাজ করেন।

আল-জামেয়া আইডিয়াল একাডেমি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা চৌধুরী নিশাতুর রহমান কোরেশী সাড়ে ৮ টায় বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। কোনো ধরনের ঝামেলা নেই। সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়াতে ভোট উৎসব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে ভোটকেন্দ্রে ও নগরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১ জন পুলিশ পরিদর্শক, ১ জন উপ পুলিশ পরিদর্শক ও ৫ জন পুলিশ সদস্য এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১ জন পুলিশ পরিদর্শক, ১ জন উপ পুলিশ পরিদর্শক ও ৪ জন পুলিশ সদস্য এবং ৭ জন নারী ও ৭ জন পুরুষসহ মোট ১৪ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

৭৯.৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ৪২টি। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৯০টি। এই ১৯০ ভোটকেন্দ্রর মধ্যে ১৩২ টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মত দিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। এবারের সিসিক নির্বাচনে মোট ভোট কক্ষ ১৩,৬৭ টি।

এবারের সিসিক নির্বাচনে বর্ধিত এলাকাসহ মোট ৪২টি ওয়ার্ড নিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ভোটার সংখ্যা হলেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬৩ জন ও ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৪ জন হলেন নারী ভোটার।

এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন ৭জন। সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ২৭৩ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী কাউন্সিলর পদে ৮৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মেয়র পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী নৌকা প্রতীকে, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল লাঙ্গল প্রতীকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী যথাক্রমে মো. আব্দুল হানিফ কুটু ঘোড়া প্রতীকে, মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকে, মো. শাহজাহান মিয়া বাস প্রতীকে ও মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা হরিণ প্রতীকে এবং জাকের পার্টির প্রার্থী জহিরুল ইসলাম গোলাপ ফুল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী সিসিক নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

ভোট গ্রহণে দায়িত্ব পালন করছেন মোট ৪ হাজার ২৯১ জন কর্মকর্তা। যাদের মধ্যে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার সংখ্যা ১৯০জন, সহকারি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১৩৬৭ জন ও পোলিং কর্মকর্তা ২৭৩৪ জন।

২০০২ সালে সিলেট সিটি করপোরেশন গঠিত হবার পর তিনটি নির্বাচন ব্যালটের মাধ্যমে হলেও এবারই প্রথম সবকটি ওয়ার্ডে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অবশ্য এর আগে ২০১৮ এর নির্বাচনে সিসিকের একটি ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এবারের নির্বাচন সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে নির্বাচন কমিশন। তাই কমিশনের নজর এড়িয়ে ভোটে অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের শঙ্কা কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভোট ১৯০টি ভোট কেন্দ্রে ১৭৪৭টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে নির্বাচন কমিশন।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট