২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:২৭ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০২১
দলের নেতা-কর্মীদের কেউ হাবিবকে সাইজ করার চেষ্টা করেন, তাহলে নিজেরাই সাইজ হয়ে যাবেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। এ দেশের উন্নয়ন কীভাবে করতে হয়, এ দেশের মানুষের ভাগ্য কীভাবে পরিবর্তন করতে হয়-তা কেবল শেখ হাসিনা সরকারই জানে। শেখ হাসিনার প্রার্থীকে বিজয়ী করলে উন্নয়ন-অগ্রগতি চলমান থাকবে।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রবিবার স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ পরিবারের সদস্যদের শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হানিফ বলেন, ’৭১ এর পরাজিত শক্তি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যা করেছে। আর এই হত্যাকান্ডের সাথে জিয়াউর রহমানও জড়িত। জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তানের এজেন্ট। বাংলাদেশ যখন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে যাচ্ছিল ঠিক সেই সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আহমদের পরিচালনায় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। বক্তব্য সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও কার্যনির্বাহী সদস্য আজিজুস সামাদ ডন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট লুৎফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন, সহ সভাপতি এডভোকেট নিজাম উদ্দিন, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তকুর রহমান মফুর, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু জাহিদ।
মাহবুবুল আলম হানিফ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদেরকে বিদেশে চাকুরী করার সুযোগ করে দেয় জিয়াউর রহমান। ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তারা চেয়ে ছিল বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে। খন্দকার মোস্তাক ও বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় উপবিষ্ট করে। তার ক্ষমতা দখল করে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কার্যক্রম বন্ধ করে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। এ বিচারে ইতিমধ্যে কয়েক জনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বাকী আসামীদের দেশে এনে শাস্তি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী বিরোধী সমাবেশ দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালায়। এতে ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন এবং অসংখ্য মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেন। শুধু তাই নয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ১৯ বার হামলা চালানো হয়। আল্লাহর আশেষ রহমতে তিনি এখনো সুস্থভাবে বেঁচে আছেন। বিএনপি জোট সরকারের আমলে ২৪ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। তারপরও নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সাবেক এমপি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহ সভাপতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশফাক আহমদ, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, ফয়জুল আনোয়ার আলওয়ার, যুগ্ম সম্পাদক কবির উদ্দিন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মাহফুজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম রুহেল, রঞ্জিত সরকার, কোষাধ্যক্ষ শামসের জামাল, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আজমল আলী, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মোঃ সাকির আহমদ শাহিন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হাজী ফারুক আহমদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী রইছ আহমদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সালেহ আহমদ হিরা, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট মবশ্বির আলী, উপ-দপ্তর সম্পাদক মজির উদ্দিন, উপ-প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিধান কুমার সাহ, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, সদস্য ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, এ.আর সেলিম, শহিদুর রহমান শাহিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাজ্জাক হোসেন, নজরুল ইসলাম কামাল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুফতী, জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক জায়েদ আলী, কাউন্সিল সালেহ আহমদ সেলিম, মোগলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম সাইস্তা, সিলাম ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম হোসেন বখত, বরইকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাবিব হোসেন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক নুরুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক আশিক আলী, জেলা তাতীলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল কাদের ছাদেক, সাধারণ সম্পাদক সারাওয়ার আলম মিতুন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সদরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সানি, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্বাস আলী প্রমুখ।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D