নর্থইস্টে এ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন ২০১ রোগী

প্রকাশিত: ৬:৪০ অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০২০

নর্থইস্টে এ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন ২০১ রোগী

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় অবস্থিত নর্থ ইষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিটে রবিবার পর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে এবং কোভিড পজিটিভ হয়ে ২০১ জন রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে কোভিড পজিটিভ রোগী হচ্ছেন ১১ জন। চিকিৎসা গ্রহণ করে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১২০ জন। ২১ জুন পর্যন্ত ভর্তি আছেন ৫৮ জন। করোনাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৩ জন। করোনা পজেটিভ রোগী মারা গেছেন ৪ জন। রবিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী।
সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে আলাদা ভবনে ২০ টি আইসিইউ বেডসহ করোনা ইউনিটে গত ২৯ মে থেকে করোনা ও সন্দেহভাজন করোনা রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন এ হাসপাতালে। গত ৫ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে তথ্য দিয়ে আসছে নর্থ ইষ্ট হাসপাতাল।
ডাঃ শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, বিভাগীয় করোনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা হাসপাতালটি করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য ছেড়ে দিতে রাজী হই। বিষয়টি নিয়ে গেল ঈদুল ফিতরের আগের দিন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী আমার সাথে কথা বলেন। আমি তাকে জানাই আমাদের ডাক্তার নার্স মিলিয়ে মোট ৯৬০ জন স্টাফ আছেন। প্রতি মাসে আমাদেরকে প্রায় ৪ কোটি টাকা বেতন দিতে হয়। করোনার জন্য তাদের আলাদা আবাসন দরকার। সব মিলিয়ে মাসিক খরচ পড়বে প্রায় ৭ কোটি টাকা। তিনি বিষয়টি সরকারকে জানান। সরকারের পক্ষ থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করা হলে আমি ও খরচের কথা বলি। সরকারের সাথে যোগাযোগ এতটুকুতেই থেমে গেছে। এখন আমরা আমাদের নিজস্ব উদ্যোগেই করোনা ইউনিট চালু রেখেছি। এতে রোগীদের অনেক খরচ হচ্ছে এটা সত্য। কারণ ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামাদি এবং অক্সিজেন বাবদ যে খরচ হচ্ছে প্রতিদিন তা বলা বাহুল্য। এ জন্য সরকার যদি করোনা রোগীদের খরচ বহন করতো তবে রোগীরা ফ্রিতে সেবা পেতেন।
ডাঃ শাহরিয়ার অভিযোগ করে বলেন, সামছুদ্দিন হাসপাতাল বর্তমানে নর্থ ইষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করছে না। এমনকি টেষ্ট ও করে দিচ্ছে না। নমুনা পাঠালেও রিসিভ করছেন না। তারা প্রতি নমুনা সংগ্রহে ৫ হাজার টাকা করে চেয়েছিল। আমরা না দেয়ায় তারা এমনটি করছেন। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেট-এর সহকারী পরিচালক ডাঃ আনিসুর রহমানের কাছে নিকট লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানান ডাঃ শাহরিয়ার। -বিজ্ঞপ্তি


সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট