৯ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:১১ অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০১৬
নিম্ন আদালতের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিলে খালাসের রায় বাতিল করে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট।
Manual1 Ad Codeসেই সাথে এ মামলায় তাকে ২০ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
এ মামলার অপর আসামি তারেকের বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের নিম্ন আদালতের সাত বছরের সাজার রায় বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।
তবে তাকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ৪০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড কমিয়ে ২০ কোটি টাকা করা হয়েছে।বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাই কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করে।
Manual5 Ad Codeএর আগে নিম্ন আদালতে বিচার শেষে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ মো. মোতাহার হোসেন ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেয়।
মামলাটি দায়ের থেকে শুরু করে পুরো বিচার প্রক্রিয়াই অনুপস্থিত ছিলেন তারেক। গত আট বছর ধরে তিনি যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। আর মামুন জরুরি অবস্থায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই কারাগারে।
তারেক রহমানের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুদক ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর আপিলের আবেদন করে। শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি হাই কোর্ট দুদকের আপিল গ্রহণ করে তারেককে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেয়।
লন্ডনপ্রবাসী তারেক না ফেরায় তার বিরুদ্ধে সমন জারি করে তা তার লন্ডনের ঠিকানায় পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও তার কোনো সাড়া মেলেনি।
Manual1 Ad Codeদুদকের করা ওই আপিলের সঙ্গে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে মামুনের করা আপিলও শুনানির জন্য তালিকায় আসে। এরপর হাই কোর্টে ৪ মে আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়ে শেষ হয় ১৬ জুন। এইদিনই রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখে আদালত।
আদালতে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের পক্ষে দীর্ঘ শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবির ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শহীদুল ইসলাম খান।
Manual4 Ad Codeতারেক রহমান ‘পলাতক’ থাকায় তার পক্ষে আপিলে কোনো আইনজীবী ছিলেন না বলে খুরশীদ আলম খান জানান।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দায়ের করা এ মামলায় তারেক-মামুনের বিচার শুরু হয় ২০১১ সালের ৬ জুলাই।
এদিকে ঢাকা মহানগরের মতো দেশের বাকি ৭টি মহানগরীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি জেলা শহর থেকে শুরু করে উপজেলা শহরগুলোতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শনের নামে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার বিপুলসংখ্যক সদস্যকে মাঠে নামানো হয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D