মালেশিয়ায় কর্মী পাঠাতে না পারার কারণ তদন্ত হবে : প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৬:১৬ অপরাহ্ণ, জুন ১, ২০২৪

মালেশিয়ায় কর্মী পাঠাতে না পারার কারণ তদন্ত হবে : প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, মালয়শিয়ায় কর্মী প্রেরণ করতে না পারার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এ সংকট তৈরির পেছনে যে বা যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার (১ জুন) দুপুরে সিলেটে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় ৫ লক্ষের উপরে কর্মী প্রেরণের জন্য মালয়েশিয়া সরকার কোটা দিয়েছিল। সেই কোটা পূরণে কাজ করেছিল বাংলাদেশ। এর প্রেক্ষিতে রিক্রুটিং এজেন্টদের সংগঠন বায়রার সাথে কথা বলে কাদের ভিসা হয়েছে আর কাদের ভিসা হয়নি সেই তথ্য চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বায়রা সেই তালিকা দিতে পারেনি। ফলে ফ্লাইটের সমস্যা হয়েছে। পরবর্তীতে কর্মী পাঠানোর জন্য ২২ টি বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়। একইসঙ্গে মালয়েশিয়া সরকারকে সময় বাড়ানোর জন্যও চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এখনো সেই চিঠির উত্তর আসেনি বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এ সমস্যা সমাধানে অ্যাম্বেসি ও মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। এ সংকট তৈরির পেছনে যে বা যারা জড়িত তা অনুসন্ধান করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। সরকার চায় বৈধপথে শ্রমিক বিদেশে যাবে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাবে। আমাদের উদ্দেশ্য হয়রানি করা না, যারা হয়রানি করছে তাদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে আলিয়া মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট ৫ আসনের সাংসদ হুছামুদ্দিন চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খান ও মাদ্রাসার বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অন্যতম আগ্রহের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ২০০৯ সালে প্রথম দফায় বন্ধ হয়েছিল। এরপর ২০১৬ সালের শেষে চালু হয় শ্রমবাজার। পরে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আবার বন্ধ হয়ে যায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। সেই শ্রমবাজার আবার চালু হয় ২০২২ সালে। এখন আবার কর্মী নেওয়া স্থগিত করল দেশটি।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট