২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৩২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০২৪
জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ ২০২৩ শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় ৪ কেটাগরিতে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার নির্বাচিত ৪ জন শ্রেষ্ঠ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। গোলাপগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবসে উপজেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গত ৯ ডিসেম্বর শনিবার শ্রেষ্ঠ ৪ জন জয়িতাকে উত্তরিয়, সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী মান্নান সহ অতিথিবৃন্দ।
৪ কেটাগরীতে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতারা হলেন- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী সাজিদা আক্তার, শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী আদরী রাণী দাস, সফল জননী নারী সাহানারা ও নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করেছেন যে নারী হেলি বেগম।
অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী সাজিদা আক্তার। সলিটেরে গোলাপগঞ্জ উপজলোর ৯নং পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নের আমুড়া বাঙ্গালীগুল গ্রামের মোঃ আরকান হোসেনের স্ত্রী শ্রেষ্ঠ জয়িতা সাজিদা আক্তার। তিনি এক নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে। মা বাবা অভাবের তাড়নায় তাকে অল্প বয়সেই বিয়ে দিয়ে দেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার স্বামী ছিলেন বেকার। তিনি দারিদ্রের কষাঘাত থেকে বাঁচার জন্য বাড়িতে বসে নকশি কাজ ও সেলাই করা শুরু করেন। কিন্তু সেলাইয়ের উপর কোন প্রশিক্ষণ এবং সেলাই মেশিন না থাকায় তিনি খুব বেশি কাজ পেতেন না। এতে তার সংসারের অভাবও মিটতো না। ইতিমধ্যে তিনি দুই সন্তানের জননী হন। সংসারের খরচ আরো বাড়ে। তিনি এসময় জানতে পারেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয় হতে সেলাই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তখন তিনি আবেদন করেন এবং ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে সফলভাবে প্রশিক্ষণ শেষ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে ১২ হাজার টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা পেয়ে তিনি সেলাই মেশিন ক্রয় করেন। সাজিদা আক্তার সফলতার সাথে তার সেলাই কাজের ক্ষুদ্র ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে তার মাসিক আয় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। তিনি এই টাকা দিয়ে স্বচ্ছলভাবে তার পরিবার ও সন্তানদের ভরণপোষণ চালাচ্ছেন। ছেলেমেয়েদের ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার খরচ চালিয়েও ব্যাংকে নিজ একাউন্টে ১০ হাজার টাকা জমা আছে।
সাজিদা আক্তার সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে সমাজের হতাশাগ্রস্থ নারীদের জন্য উজ্জ্বল উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। তিনি অর্থনৈতিক ভাবে অবদান রাখায় তাঁকে “অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী” ক্যাটাগরিতে সাজিদা আক্তারকে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন।
শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী আদরী রাণী দাস। সলিটেরে গোলাপগঞ্জ উপজলোর ৭নং লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের নিজ ঢাকাদক্ষিণ গ্রামের রুপন চন্দ্র দে এর স্ত্রী শ্রেষ্ঠ জয়িতা আদরী রাণী দাস। তিনি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার এক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। চার বোনের মধ্যে তিনি বড়। তাঁর পিতা ছিলেন একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও মাতা গৃহিনী।
বাবার স্বপ্ন ছিল মেয়ে ডাক্তার হবে। তাই তাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। ২০০১ সালে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি ও ২০০৩ সালে কৃতিত্বের এইচ.এস.সি পাশ করার পর পরিবারের দারিদ্রতার কথা চিন্তা করে তিনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের পরীক্ষা দেন এবং মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করে গোয়াইনঘাট উপজেলায় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। এস.এস.সি পরীক্ষার পর থেকেই তিনি টিউশনি করে পড়ার খরচ চলাতেন। সেই ধারাবাহিকতায় চাকুরীর পাশাপাশি তিনি টিউশনিও চালিয়ে পরিবাবের খরচ ও তিন বোনের লেখাপড়ার খরচ যোগাতেন। বর্তমানে তিনিসহ তার তিন বোনই সরকারী চাকুরিজীবী এবং এক বোন ফ্রান্সে সফট্ওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।
২০০৮ সালে গোলাপগঞ্জের নিজ ঢাকা দক্ষিণ বিদাইটিকর গ্রামের রুপন চন্দ্র দে এর সাথে তার বিবাহ হয়।
আদরী রাণী দাস ব্যক্তিগতভাবে ২ সন্তানের জননী। শ্বশুড় বাড়ী ছিল ৩৫ জনের একান্নবর্তী পরিবার। চাকুরীর সাথে পরিবারের সকল দায়িত্ব পালন করে স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে স্বামী ও পরিবারের সহযোগিতায় লেখাপড়া চালিয়ে যেতে থাকেন। পরিবার, স্বামী, সন্তানসহ সবার দায়িত্ব পালন করেও রাত জেগে জেগে পড়ে তিনি তার চাকুরীকালীন বিভিন্ন কোর্স সম্পন্ন করে কৃতিত্বের সাথে পাস করেন।
আদরী রাণী দাসের অর্জিত সনদসমূহ হচ্ছে- ১) বি.এস.এস, ২) সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন কোর্স, ৩) বি.এড, ৪) এম.এস.এস, ৫) ডিপ্লমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি কোর্স (২০১৩-২০১৪)।
তিনি যে সকল এওয়ার্ড অর্জন করেন সেগুলো হলো- মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াকালীন সেরা বিতর্কিক নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক। ২০১৮ সালে উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা। ২০১৯ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা নির্বাচিত হন। ২০২০ সালে বাংলাদেশ স্কাউটসের মেডেল অব মেরিট নির্বাচিত হন । তিনি কাব স্কাউটের দেশ সেরা ২৩ জন শিক্ষকের মধ্যে একজন। ২০২১ সালে সিলেট অনলাইন প্রাইমারী স্কুল পরিচালনার জন্য করোনা যোদ্ধা শিক্ষক সম্মাননা ২০২১ অর্জন করেন। ২০২৩ সালে তিনি সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত হন।
তার সব সময়ের একটা স্বপ্ন ছিল সমাজের জন্য কিছু কাজ করবেন। সেই থেকে তিনি এলাকার দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে পড়াতেন, গরীব ও মেধাবী ৩/৪ জন ছাত্রকে নিজ খরচে এসএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করান, প্রতিবছর তার নিজের একমাসের বেতন দরিদ্র মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের কল্যাণে ব্যয় করেন। করোনাকালে তার উদ্যোগে ৩ জন সহকর্মী মিলে অনলাইন ক্লাস চালু করে সিলেট বিভাগের ৪০/৪৫ জন শিক্ষককে এর সাথে যুক্ত করে অনলাইনে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করানোর স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। আদরী চাকুরীর শুরু হতেই স্কাউটিং এ যুক্ত ছিলেন এবং তার বিদ্যালয়ের প্রায় ৪৮ জন ছাত্রছাত্রী কাব স্কাউটিং এ যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জন শিক্ষার্থী শাপলা কাব স্কাউটিং এ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয় পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ রক্ষাসহ বিদ্যালয়ের সকল কো কারিকোলাম এক্টভিটি তার তত্ত্বাবধানেই হয়ে আসছে। তিনি প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতি, সামাজিক সম্প্রীতি কমিটি, ইউনিয়ন দুর্যোগ প্রতিরোধ কমিটি, ইউনিয়ন সাংস্কৃতিক কমিটি প্রভৃতি বিভিন্ন কমিটিতে সদস্য থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
তিনি পরিবার ও সমাজের বিভিন্ন বাধাকে উপেক্ষা করে থেমে না গিয়ে সমাজে উদাহরণ সৃষ্টি করে নিজ প্রচেষ্টায় শিক্ষা ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন করে চাকুরী করায় ও চাকুরী ক্ষেত্রেও বিভিন্ন দিক থেকে সফলতা অর্জন করায় আদরী রাণী দাসকে “শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরীতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
সফল জননী নারী সাহানারা বেগম। সলিটেরে গোলাপগঞ্জ উপজলোর ০৫নং-বুধবারীবাজার ইউনিয়নের চন্দরপুর গ্রামের এটি এম নুরুল আমিনের স্ত্রী শ্রেষ্ঠ জয়িতা সাহানারা বেগম। বর্তমানে সিলেট মহানগরীর সুবিদবাজারস্থ প্রান্তিক-২৩ নং বাসায় বসবাস করেন। চন্দরপুর গ্রামে দরিদ্র পরিবারে তার জন্ম। স্বামী ছিলেন একজন ছোট পদের সরকারী কর্মচারী। পারিবারিক জীবনে তিনি ৩ সন্তানের জননী। স্বামীর স্বল্প টাকার বেতনে সংসারে বয়স্ক শশুড়-শাশুড়ীর চিকিৎসা, ৩ সন্তানের লেখাপড়ার খরচ ও সংসার খরচ চালানো খুব কষ্টকর ছিল। এরপরও তিনি জীবনযুদ্ধ জয় করার জন্য পরিবারের সকল দায়িত্ব পালন করে নিজ সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন। তিনি রাত জেগে জেগে সন্তানদের পাশে থেকে তাদের পড়ালেখা করতে সহায়তা করতে থাকেন। রাতে একদিকে রান্না করতেন ও অন্যদিকে সন্তানদের পড়ালেখা করাতেন। এভাবে তিনি সন্তানদের পড়ালেখা শিখিয়েছেন। তার এই কষ্টের ফল স্বরুপ ধীরে ধীরে সন্তানরা স্কুলে ভালো রেজাল্ট করতে লাগলো। বর্তমানে তার ৩ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে মোঃ রাহাত উল আমিন বগুড়া সরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে এম.বি.বি.এস পাশ করে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ফিজিওলিজি বিভাগে লেকচারার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছোট ছেলে মোঃ রাগীব উর আমিন নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ সিলেট এ অস্বচ্ছল ও মেধাবী কোঠায় এম.বি.বি.এস এ চান্স পায়। এই বছর সে এম.বি.বি.এস ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে এবং একমাত্র মেয়ে নুসরাত তাবাস্সুম সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এর ডেন্টাল বিভাগে পঞ্চম বর্ষে অধ্যয়ণরত।
বহুকষ্টে পরিস্থিতির সাথে লড়াই করে তিনি আত্মবিশ্বাস ও নিজ প্রচেষ্টায় নিজের সন্তানদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং জীবনমান উন্নত করার কাজে এগিয়ে এসেছেন। এ কারণেই সাহানারা বেগমকে “সফল জননী নারী”ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত করা হয়েছে।
নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করেছেন যে নারী হেলি বেগম। সলিটেরে গোলাপগঞ্জ উপজলোর ০৯নং পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নের আমুড়া গ্রামের জামাল আহমদ ও নেওয়ারুন বেগমের মেয়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হেলি বেগম। তিনি নিম্নবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দরিদ্র পিতা মাতার নিত্য অভাবের সংসারে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়ণরত অবস্থায় বাল্য বিবাহের শিকার হন। সংসার জীবনে বিবাহের কিছুদিন পর হতেই স্বামী ও স্বামীর পরিবার দ্বারা যৌতুকের দাবীতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে তিনি আরো নির্যাতনের শিকার হন। ইতিমধ্যে তিনি ২ সন্তানের জননী হন। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে এবং মা বাবার আর্থিক দুরবস্থার কথা চিন্তা করে তিনি সব অত্যাচার সহ্য করে যান। কিন্তু একসময় আর সহ্য করতে না পেরে সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসেন। বাবার বাড়ি এসে আরো খারাপ অবস্থায় পড়েন। অভাব থেকে বাঁচার জন্য তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরীতে প্রশিক্ষণ নেন এবং পিতার বাড়িতে সার উৎপাদনের কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তার তৈরীকৃত সার প্রতি মাসে ৫/৬ টন বাজারজাত করা হয়, যার প্রতি টনের বাজার মূল্য ১৫ হাজার টাকা। তিনি বর্তমানে নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি তার আশেপাশের হতদরিদ্র মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আরো ১০ জন মহিলাকে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করেছেন। হেলি বেগমের এই কাজের মাধ্যমে তার নিজের ভরন পোষন সহ পরিবারের অন্যান্য দায়িত্ব পালন করে সমাজে আত্ননির্ভরশীল হয়ে বাঁচার চেষ্টা করেছেন এবং স্বামীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের স্মৃতি ভুলে গিয়ে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে সমাজের পশ্চাৎপদ নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা জাগানোর কারণে হেলি বেগমকে “নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করেছেন যে নারী” ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত করা হয়েছে।
গোলাপগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) খাদিজা খাতুন বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে গোলাপগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ে ৪ জনকে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। আগামীতেও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D