২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:১৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০২১
লকডাউন উঠে গেছে গত বুধবার। তাই সাপ্তাহিক ছুটির দিন সাদা পাথর ঘুরতে আসেন হাজারো পর্যটক।
শুক্রবার সকাল ৮ টা থেকে সাদা পাথর যেতে ভোলাগঞ্জ দশ নম্বর ঘাটে জড়ো হন তারা। তবে কর্তব্যরত বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদস্যরা বাঁধা দেওয়ায় সাদা পাথর যাওয়া হয়নি অনেক পর্যটকের। এতে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা হতাশ।
অবশ্য, বিকেল ৩টার পর স্বাস্থ্যবিধি মানা সাপেক্ষে কিছু পর্যটক সাদা পাথর যেতে পেরেছেন। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতিতে যাওয়ার সুযোগ হয় তাদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোলাগঞ্জ দশ নম্বর ঘাটে পর্যটকেরা ভিড় করছেন। ঘাটে বাঁধা শতাধিক নৌকা। স্থানীয়দের পাশাপাশি অনেকে দূর-দূরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। কিন্তু নৌকা না ছাড়ায় সাদা পাথর যেতে পারছেন না তারা। কর্তব্যরত বিজিবির সদস্যরা পর্যটকদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন।
সিলেট থেকে ঘুরতে এসেছিলেন এমসি কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগ, রঞ্জিত, রাফাতসহ দশজন বন্ধু। তারা বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর সাদা পাথর দেখতে এসেছি। নৌকা না ছাড়ায় দুই ঘন্টা বসে থেকেও যেতে পারিনি।’
স্থানীয় ফটোগ্রাফার রায়হান বলেন, ‘গত বুধবার থেকে পর্যটক আসছেন। কিন্তু তাদের সাদা পাথর যেতে না দেওয়ায় আমরা ছবি তুলতে পারিনি।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর৷ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন সেখানে হাজারো পর্যটকের ঢল নামে। এতে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা বেশ জমে ওঠে। কিন্তু গত তিনদিন পর্যটকেরা ফিরে যাওয়ায় বেচাকেনা কম হয়েছে। এতে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা হতাশ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাদা পাথর পর্যটন খোলা রাখার দাবি তাদের।
স্থানীয় ব্যবসায়ী সফাত উল্লাহ, লিটন আহমদ, সাজন ও রোবেল আহমদ বলেন, এখন ভরা মৌসুম। অথচ আমাদের বেচাকেনা নেই বললেই চলে। গত বছরেও করোনার কারণে এটি বন্ধ ছিল। আমাদের ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে। এবারও আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ব্যবসা ছেড়ে দিতে হবে।
চা পাতা বিক্রেতা রুহুল আমিন জানান, পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকায় ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছিলাম। আবার শুরু করব ভাবছি।
সাদা পাথর পর্যটন নৌকা ঘাটের ইজারাদার দিলোয়ার মাহমুদ রিপন বলেন, প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যে ঘাট ইজারা নিয়েছি। বছরের চার মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও ঘাট চালু ছিল মাত্র দশ থেকে পনেরদিন। এভাবে চললে আমাদের লোকসান হবে।
ভোলাগঞ্জ দশ নম্বর ক্যাম্পে দায়িত্বরত বিজিবির এক সদস্য বলেন, (শুক্রবার) প্রচুর পর্যটক এসেছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকায় আমরা তাদের বুঝিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বিকেল ৩ টার পর থেকে নৌকা ছাড়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন আচার্য বলেন, ১৯ আগস্ট থেকে দেশের সব পর্যটন খোলার নির্দেশনা থাকলেও এখন থেকেই পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু সংখ্যক পর্যটককে সাদা পাথরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D