|
প্রকাশিত: ৭:৫৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১, ২০২৬
নরসিংদীর সদর উপজেলার মাধবদী থানার চরদিঘলদী ইউনিয়নের জিতরামপুর ও টিটিরচর এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে টেঁটা-বল্লম নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয় থেকে সাতজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার পর এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, ফজলু মিয়া (৬০) ও তাহের মিয়া (৬৫)। আহত অন্যদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মমিন মিয়া বলেন, চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড়ে অবস্থান করছেন। তাঁদের নিজ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বুধবার সন্ধ্যায় শহীদ মেম্বার ও কামাল মিয়া গ্রুপের লোকজন টেঁটা-বল্লম নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। পরে চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন হামলা প্রতিহত করলে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন।
তবে শহীদ মেম্বার ও কামাল মিয়া গ্রুপের পক্ষের কামাল মিয়া বলেন, তাঁরা বাজারে বসে ছিলেন। সন্ধ্যার দিকে চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন।
চরদিঘলদী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক চাঁন মিয়া বলেন, শহীদ মেম্বারের লোকজন প্রায় এক মাস ধরে তাঁদের গ্রুপের অনেক লোককে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। এতে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িছাড়া। গত সপ্তাহে স্থানীয় সংসদ সদস্যের উদ্যোগে দুই পক্ষের লোকজনকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও শহীদ মেম্বার ও কামাল মিয়া গ্রুপের লোকজন তা মানেনি বলে দাবি করেন তিনি।
চাঁন মিয়া আরও বলেন, পরে তাঁরা বাড়িতে গিয়ে লোকজনকে বের করে দেন। বুধবার রাত ৯টার দিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল বিএনপির কিছু লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁদের অবস্থানস্থলে হামলা চালান। পরে তাঁদের লোকজন হামলা প্রতিহত করলে উভয় পক্ষের ছয় থেকে সাতজন আহত হন।
চরদিঘলদী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের বিরোধ প্রায় এক মাস ধরে চলে আসছিল। ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে দুই পক্ষের লোকজনকে নিয়ে সংসদ সদস্য খোকনের বাসায় বসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে দুই পক্ষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কিছু লোক যুক্ত হয়ে এ বিরোধ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করছে। ঘটনার সময় তিনি গ্রামে না থাকায় সরেজমিন বিষয়টি দেখেননি।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, রাতে ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। ঘটনার সত্যতা রয়েছে। উভয় পক্ষের ছয় থেকে সাতজন আহত হয়েছেন এবং তাঁরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D