৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:৩৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে হাওরের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে তিনি টাঙ্গুয়ার হাওর পরিদর্শন করেন।
সকাল থেকে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার স্পিডবোটে করে হাওর পরিদর্শন শুরু করেন। তিনি টাঙ্গুয়ার হাওরের ওয়াচ-টাওয়ার, দৃষ্টিনন্দন হিজল-করচ গাছের বাগান এবং হাওর তীরবর্তী গ্রামগুলো ঘুরে দেখেন। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে তিনি হাওরের পরিবেশগত অবস্থা এবং এর রক্ষণাবেক্ষণের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা নেন।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ও মৎস্য সম্পদের রক্ষায় সচেতন হতে হবে। হাওরের জীববৈচিত্র্য বলেন প্রাণবৈচিত্র বলেন সবকিছুই আমাদেরকে রক্ষা করতে হবে। আমরা যদি আরও বেশি অভয়াশ্রম গড়ে তুলতে পারি, আরও বেশি পরিবেশ রক্ষা মূলক কাজ করতে পারি তাহলে টাঙ্গুয়ার হাওরেও মাছের উৎপাদন বাড়বে। জেলেদের বিকল্প জীবিকা-আয়ের ব্যবস্থা ও সচেতন করতে পারলে মৎস্য সম্পদ রক্ষা করা সহজ হবে। হাওর খনন, নিয়ন্ত্রিত ট্যুরিজমের ব্যবস্থা করতে হবে। পরিবেশ সুন্দর আছে বলে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পর্যটক পাঠালে পরিবেশ-প্রতিবেশ ঠিক থাকবে না। দায়িত্বশীল ট্যুরিজম হওয়া উচিৎ। টাঙ্গুয়ার হাওরকে শুধু পরিবেশের দিক দিয়ে নয় মাছের দিক থেকেও যদি একটা গুরুত্বপূর্ণ হাওর হিসেবে ঘোষণা দিতে পারি তাহলে এটি রক্ষার দায়িত্ব সবার হবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সেজন্য আমদানী বন্ধ ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয়ে থাকলে ফ্যাক্টরীগুলো বন্ধ করতে হবে। নদীতে অভিযান চালিয়ে শুধু ব্যবহারকারীকে ধরা হয়, জালের উৎপাদনকারীকেও ধরতে হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, সরকার দেশের মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অবৈধ জাল ব্যবহার ও প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সাধারণ মানুষকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
এদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ঢালা এলাকায় নদী পরিদর্শনকালে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ আহরণের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অবৈধভাবে মাছ আহরণের দায়ে পাঁচজন জেলেকে আটক করে।
পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঁচজন জেলেকে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ (সংশোধিত)-এর ধারা ৫ (১) অনুযায়ী পাঁচ মাসের (১৫০ দিন) বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: আবদুর রউফ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাহীনা ফেরদৌসী, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সমর কুমার পালসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D